এসআই আকবরের বিরুদ্ধে ভুঁইফোড় তাজুলের অপ-প্রচার : ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট

সিলেট মেট্রোপলিটপ পলিশের কোতোয়ালি থনাধীন বন্দর বাজার ফাঁড়ি এলাকা। টাউট-বাটপার, চাঁদাবাজ, ঘুষখোর, বখরাখোর ও তথ্য সন্ত্রাসীদের জন্য সবচেয়ে বেশি উর্বর এরিয়া এটি। এই ফাঁড়ির দায়িত্বে যত ভালো ও সৎ অফিসার যাবেন , উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তত বেশি কালিমা লেপনের চেষ্টা করে তাজুলের মত কিছু ভুয়া সাংবাদিক । জানা যায়, তাজুল প্রথমে বাংলাদেশ বিজিবিতে চাকরী করতেন, চুরির দায়ে কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরীচ্যুত করে। এর পরে থেকেই সে বিভিন্ন নামে পত্রিকা বের করে, মানুষকে ব্লাক মেইল করে টাকা ইমকামের পথ বেচে নেয়। কিছু দিন পর পর তার প্রকাশিত ভুঁইফোড় পত্রিকার নাম পরিবর্তন করেন। সর্বশেষ তার প্রকাশিত পত্রিকার নাম দেয় সোনালী সিলেট যার অফিস সুরমা মার্কেটের ৩য় তলায়।  ঘুষখোর বখরাখোর ও চাঁদাবাজদের আঁতে আঘাত লাগলেই তারা আদাজল খেয়ে পিছু লেগে পড়ে তার। এমনটা ঘটে চলেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন সৎ ও ভালো অফিসার এসআই আকবর হোসাইন ভুঁইয়ার ক্ষেত্রে।
এসআই আকবর হোসাইন ভুঁইয়া ২০১৫ এসএমপির কোতোয়ালী থানায় যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি অতি দক্ষতা ও সততার সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি কিছু সময় এসএমপি’র ডিবিতে ছিলেন, এরপর ক্রাইসিস রেসপন্স টিম (সিআরটি) টিম-২ এর পুলিশের একজন ২য় কমান্ডার হিসাবেও তাকে নির্বাচিত করা হয়। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানাধীন বন্দরজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পদে রয়েছেন। অতি দক্ষতা সততা ও সুনামের সথে এ ফাঁড়ির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি।
 আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি  সামাজিক কাজেও পিছিয়ে নেই তিনি। সাম্প্রতিক করোনা মহামারির শুরু থেকে তিনি নিজেকে জনসেবায় নিয়োজিত করে রেখেছেন। তার এই সততা ও কর্মনিষ্ঠতায় চরম ভাবে আঁতে ঘা লেগেছে বন্দর বাজার এলাকার  কায়েমী স্বার্থবাদী চাঁদাবাজ ও বখরাখোরদের। তাই সংঘবদ্ধ এই চাঁদাবাজ চক্র আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে এসআই আকবরের চরিত্রে কলংক ও কালীমা লেপন করতে। নিজেদের দোষ তার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা।
ওই চক্র তাদের এ ঘৃণ্য কাজে তাদের আনুগত তথ্যসন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছে সৎ ও নিষ্ঠাবান পুলিশ অফিসার এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়ার বিরুদ্ধ। বন্দর এলাকার চিরায়ত চাঁদাবাজ-বখরাখোরদের অন্যতম সহযোগী তথ্যসন্ত্রাসী ওই তাজুল ইসলাম ওরফে তাজুল। ভুঁইফোঁড় পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাজুল সবসময় বন্দর বাজার এলাকায় বসা হকারদের দেয়া দৈনিক সাপ্তাহিক ও এককালীন বখরার একটা বড় অংশ পেয়ে থাকে। এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোর পতিতা ব্যবসা ও জুয়ার আয়ের একটা অংশ ঢুকে তার পকেটে।
সম্প্রতি চাঁদাবাজ ও প্রতারক তাজুল নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়ার কাছ থেকে অবৈধ ফাঁয়দা হাসিল করতে চেয়েছিলো। কিন্তু এসআই আকবর তাকে কোন পাত্তাই দেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি কোন অবৈধ বাণিজ্য করিনা যে, আপনাকে চাঁদা দিয়ে ফাঁড়িতে ডিউটি করতে হবে।
‘ তার ই দ্ব্যর্থহীন জবাবে চরম ভাবে ক্ষিপ্ত হয় সাংবাদিক নামধারী তাজুল। সে পুলিশের অতি সৎ ও নিষ্ঠাবান অফিসার এসআই আকবরের বিরুদ্ধে শুরু করে নানা মিথ্যা ও অপবাদমূলক অপ-প্রচার।  সম্প্রতি একটি ভুঁইফোড় পত্রিকায় এসআই আকবরের বিরূদ্ধে নানা অপবাদমূলক তথ্য ছাপিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় তা প্রচার করছে। সাংবাদিক পরিচয়ের
বখরাখোর ও ভুঁইফোড় এই তাজুলের বিরুদ্ধ যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ নগরীর সচেতন মহলের দাবি। সচেতন নাগরিকরা ভুঁইফোঁড় তাজুল ও তার সহযোগী বখরাখোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :