করোনা মোকাবিলায় র্নিঘুম শ্রীনগরের নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা আক্তার

মো:সাইফুল ইসলাম

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে নিরালশ পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মাৎ রহিমা আক্তার। শ্রীনগর উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে চঁষে বেড়াচ্ছেন প্রতিটি ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লা ও গ্রামে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে গ্রহন করেছেন নানা পদক্ষেপ। ইতমধ্যে উপজেলার ৩০ হাজারের অধিক দুস্থ্য, বেদে, গ্রাম পুলিশ, সনাতন ধর্মালম্বী কর্মহীন পবিরারের মাঝে সরকারী অনুদানসহ নিজ অর্থায়নেও তিনি পৌছে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। সেই সঙ্গে মানুষের বাড়ী বাড়ী পৌছে দিচ্ছেন সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত সকল মানবিক উপহার সামগ্রী। এতে করে স্থানীয়দের মাঝেও ব্যপক সুনাম অর্জন করেছেন তিনি।

তাছাড়া বাজারে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য বিক্রির নির্দেশনা ঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা সেদিকে রাখা হচ্ছে কঠোর নজরদারী। প্রয়োজনে তাৎক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিচ্ছেন ইউএনও রহিমা আক্তার। এ বিষয়ে শ্রীনগর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোখলেছুর রহমান সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর থেকে আমরা ইউএনও রহিমা আক্তার স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারের দেয়া অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। তিনি দিন নেই, রাত নেই, আমরা যখনই প্রয়োজনবোধ করেছি সার্বক্ষনিক উনাকে পাশে পেয়েছি। কখনও তিনি আমাদেরকে এ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পিছু হটেনি।

এমন কর্মকর্তা পেয়ে উপজেলাবাসী গর্ববোধ করছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা আক্তার আমাদের কণ্ঠকে বলেন,উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরো পাঁচ হাজারের অধিক পরিবারকে সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা আছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালন করছি। একজন কর্মকর্তার পাশপাশি নাগরিক হিসেবে আমার যে কর্তব্য, সেগুলি করে যাচ্ছি। এ উপজেলার মানুষদের সেবা দিতে প্রয়াশই নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। তবে এজন্য আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করছেন ডিসি স্যার। এছাড়াও আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি আমাকে সহযোগীতায় নিয়োজিত মাঠকর্মী সহ সকল জনপ্রতিনিধিকে। এখানকার সকল মানুষ আমাকে সহযোগীতা করে আসছে যে কারণে আমি কাজ করতে উৎসাহ বোধ করি।

আপনার মতামত লিখুন :