কুমারখালীতে প্রেমিকের পরিবারের নির্যাতনে আত্মহত্যা করেছে অন্তঃসত্ত¡া নবম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী

আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু,কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের চড় নিতাইল পাড়ার কালামের মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী সোনিয়া স্ত্রীর অধিকার আদায়ের জন্য প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সবার নির্যাতনের শিকারে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। পিতা মাতা পরিত্যক্তা সোনিয়া উল্লেখিত গ্রামে তার খালু সাবুর বাড়িতে থেকে শালঘর মধুয়া হাজী আছিয়া খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন পার্শ্ববর্তী জহুরুল হাজীর ছেলে বাঁশগ্রাম আলাউদ্দিন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একাদ্বশ শ্রেণির ছাত্র জীবনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত রোববার সোনিয়া বাঁশগ্রাম তদন্ত কেন্দ্রে স্ব শরীরে গিয়ে তার পেটে জীবনের বাচ্চা জানায় এবং স্ত্রীর অধিকার আদায়ের জন্য মৌখিক অভিযোগ করে এবং একই দিনে সন্ধ্যায় প্রেমিক জীবনের বাড়িতে অধিকার আদায়ের জন্য গেলে জিবন তার পিতা জহুরুল হাজী ও মা পারভীন বেগম তাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। সোমবার সকালে সোনিয়া তার নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ বিষয়ে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রাকিব সোনিয়ার মৌখিক ভাবে অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন মেয়েটি আত্মহত্যা করার আগে তার ডায়েরিতে লিখেছে আমার পেটে জীবনের বাচ্চা আমিতো জীবিত থাকতে বিচার পেলামনা মরার পর যেন কঠোর বিচার হয়। তিনি আরো বলেন সোনিয়ার শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান জানান, মেয়েটির সুইসাইড নোটের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পরিবারের সবাই বাড়ি তালাবন্ধ করে পালিয়েছে। লাশ পোস্ট মর্টেম হবার পর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :