কে এই নব্য বাংলা ভাই হানিফ মেম্বার

শাহীন চৌধুরী

চরমোনাই ইসলামি যুব আন্দোলনের সহ- সভাপতি ঢাকা জেলা ও ঢাকা কেরানীগঞ্জ ইসলামি যুব আন্দোলন কমিটির সভাপতি হানিফ মেম্বার। শত কোটি টাকার মালিক মালিক ভুমিদস্যু ইউপি সদস্য। প্রায় এক যুগেরও বেশি তবুও টনক নড়েনি প্রশাসনের। ভূমিদস্যুতায় গড ফাদার খেতাব পেয়েছেন হানিফ মেম্বার, ট্রলার দিয়ে ইট বালু টানা দিন মুজুর কিভাবে শত কোটি টাকার মালিক হল এ নিয়ে জনমনে রয়েছে অনেক প্রশ্ন। তিতাস গ্যাস কোম্পানির নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করেই দিয়েছিলেন অবৈধ গ্যাস সংযোগ, সংযোগ দিয়ে রাতারাতি হয়ে গেছেন অঢেল টাকার মালিক। নয় বছরে আলাদিনের চেরাগ পেয়ে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। সি আই ডি পুলিশ অধিদপ্তর, পুলিশ মহা পরিদর্শক বাংলাদেশ পুলিশ, রেপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন , ডি আই জি ঢাকা রেঞ্জ, রেব ১০ কেরানীগঞ্জ ঢাকা, খাদ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, মহা পরিচালক দূর্নীতি দমন কমিশন, চেয়াম্যান পেট্রোবাংলা, জেলা প্রশাসক কতোয়ালী ঢাকা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ ঢাকা, প্রধান বার্তা চ্যানেল আই, প্রধান বার্তা সম্পাদক এটি এন বাংলা, সভাপতি জাতীয় প্রেস ক্লাব, এমনকি বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী মহদোয়ের কার্যালয়ে চিঠি দিয়েও কোনো প্রকার সাড়া পাওয়া যায়নি।

কেরানিগঞ্জের শাক্তা ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হানিফ মেম্বার দীর্ঘ একযুগ ধরে করে যাচ্ছেন নানা রকম অনিয়ম ও অপরাধ, হয়েছে আকাধিক মামলাও, সরকারী খাস জমি, খাল দখল, ভুয়া দলিল, ও অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা, অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়ার সময়ই শর্ত দিয়েছিলেন বৈধ গ্যাস সংযোগ দিবে, কিন্তু তা না দিয়ে দিলেন অবৈধ গ্যাস সংযোগ, জখন এলাকায় জানাজানি হলো হানিফ মেম্বার দিয়েছেন অবৈধ গ্যাস সংযোগ তার আগেই এলাকাবাসী হানিফ মেম্বারের কাছে এক একটি পরিবার দিয়েছিলেন পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা করে। টাকা দিয়ে বাসা বাড়িতে তাৎক্ষনিক পেয়েছিলেন গ্যাস সংযোগ। হানিফ মেম্বারের নেতৃত্বে গড়ে উঠা এই চক্র সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। হানিফ এর একটি ক্যাডার বাহিনী আছে। হানিফ এর নেতৃত্বে কেরানীগঞ্জের সাক্তা ইউনিয়নের ওয়াসপুর, মধ্যেরচর, বালুরচরে, অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছিল, হানিফ মেম্বার টাকা পেলেই রাতের অন্ধকারেই দেয়া হত গ্যাস সংযোগ। কিছুদিন পর গ্যাস কর্মকর্তারা খবর পেলে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আসলে হানিফ মেম্বারের ক্যাডার বাহিনির হাতে নাজেহাল হতে হয়েছিল অনেক গ্যাস কর্মকর্তাদের।

অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন করার পর অনেক পরিবার তাদের টাকা ফেরত চাইতে গেলে হানিফ মেম্বার টাকা না দিয়ে বিভিন্ন রকম ভাবে অসহায় পরিবারদের উপর নির্যাতন ও নানা রকম ভয়ভীতি সহ চালায় অমানবিক নির্যাতন। তার পর হানিফ মেম্বারের নজর পরে গরিব অসহায় পরিবারদের উপরে যাদের আছে মাথাগুজার জন্য একটু ভিটা জমি। সাব রেজিস্ট্রারের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে হাত মিলিয়ে চলে ভুয়া দলিল ও পাওয়ার বানানোর কাজ, জোড় করে জমি দখল ও তার পালিত ক্যাডার বাহিনী দিয়ে রাতের অন্ধকারে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দলিল নিজের নামে করা, তার পর কিছু পরিবারদের এলাকা ছাড়া কড়া ছিল তার মুল কাজ। নবগত বাংলা ভাই হানিফ মেম্বারের কিছু অপকর্মের কথা তুলে ধরা হল।
হানিফ মিয়া এলাকার মুক্তিমান আতঙ্ক যার দ্বারা এমন কোন অপকর্ম নেই সে করে নাই, যেমন অন্নের জমি দখল বাড়ী দখল করে ভিটে মাটি ছাড়া করা চুক্তিতে বাউন্ডারী করা ছুক্তিতেই বাউন্ডারী ভাঙ্গা তার নিত্ত নৈমিক্তিক ব্যাপার, যিনি গর্ব করে প্রকাশ্যে বলে থাকেন আমরা বাউন্ডারী করতেও ভাঙ্গতেও পারি, আমরা কোন রজনৈতিক হুমকি ভয় পাইনা, আশ্চর্যের বিষয় হলো তার নামে থানায় কোন মামলা নিতে চান না।

মাঝে মধ্যে কোন কারন বসত আস্তে আস্তে থেমে মামলা হলেও কিছুদিন এগোনোর পর থমকে যায়, কিসের কিসের বলে হয় তা এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কেমন যেন আমে দুধে মিলে যাওয়ার মত ঘটনা। হানিফ নিজেই একজন চরমণাই ইসলামী যুব আনদোলনের শীর্ষ নেতা হোলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মন কীভাবে গলানো যায় সেটা হানিফ জানতো, যখন যে দল ক্ষমতায় আসুক ক্ষমতাসীন নেতাদের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে চলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একেবারে প্রায়ই ব্ধাাহীন ভাবে একটার পর একটা ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে, সে একাই ধরা ছোয়ার বাইরে। সবশেষে বিক্রির সিংহ ভাগই নিজের লম্বা পকেটে ঢুকিয়ে আংশিক ভাগ করে দেন শ্রেনী মোতাবেক কর্মীদের, জমিদখলের মহোৎসব এভাবে পর্যায়ক্রমে মোঃ আনসার আলী পিতা মিয়া তাহাকে ভীটে মাটি ছাড়া করেন, এরকম খবর সংবাদ এর মাধ্যমে ও পত্র পত্রিকায় এবং অন লাইনের মাধম ইত্যাদি ভাবে ফলাও করে বহুবার প্রচারিত হয়েচে বিভিন্ন সময়ে।

আপনার মতামত লিখুন :