খুলনায় নিম্ন মানের সুরক্ষা সামগ্রীতে সয়লাব : অভিযান নেই প্রশাসনের

বি এম রাকিব হাসান,খুলনা

 

করোনা আতংক সর্বত্র। যার ফলে মানুষ সচেতন হওয়ার জন্য ব্যবহার করছে মাস্ক, গøাবস, স্যানিটাইজার, পিপিইসহ সুরক্ষা সামগ্রী। কিন্তু অপেশাদার ব্যবসায়ীরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নকল ও নিম্নমানের পণ্য বিকিকিনি শুরু করেছে। যার ফলে পানের দোকান, মুদি দোকান, মোবাইলের দোকান, ভ্যান, ইজিবাইক এমনকি রাস্তার পাশেই নিম্ন ও ভেজাল পণ্য বিক্রি হচ্ছে। খুলনা মহানগরীর প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এই চিত্র দৃশ্যমান। অথচ এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃশ্যমান অভিযান নেই। এদিকে চিকিৎসকদের মতে, সচেতন হতে গিয়ে নিম্ন ও ভেজাল পণ্য ব্যবহার করায় স্বাস্থঝুঁকি বাড়ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর ফার্মেসি এবং ওষুধ বিক্রির দোকানসহ প্রত্যেক মোড়ে মোড়ে সুরক্ষা সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে যারা অস্থায়ী এবং অসাধু ব্যবসায়ী তারা নিম্নমানের মাস্ক, স্যানিটাইজার ও পিপিই বিক্রি করছে। করোনার কারণে এক শ্রেণীর মানুষ সস্তা সুরক্ষা সামগ্রী কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। যার ফলে সোনায় সোহাগা এসব ব্যবসায়ীদের।

১০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত মাস্ক, প্রতি জোড়া গøাবস ৩ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা, পিপিই ২শ’ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে ফুটপাতে। পাশাপাশি বেনামী অনেক কোম্পানীর হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশও মিলছে সস্তায়।
খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুবই নিম্নমানের মাস্ক ও স্যানেটাইজারে বাজারে সয়লাব হয়ে গেছে। হু’র মতে তিন লেয়ারের যে কোন মাস্ক করোনা প্রতিরোধে সক্ষম। কিন্তু বাজারগুলোতে তা নেই। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দরকার। এখানে মানবতা না দেখিয়ে জীবন বাঁচাতে প্রশাসনকে নিম্নমানের মাস্ক, স্যানেটাইজার, গøাবস ও পিপিই’র বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান প্রয়োজন।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইউসুপ আলী জানান, গত চার মাসে মাস্ক না পরার জন্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মানসম্মত মাস্ক একটু ভাল দোকানেই বিক্রি করে। যারা সচেতন তারা রাস্তায় বিক্রি হওয়া মাস্ক কিনবে না। স¤প্রতি নগরীর হেরাজ মার্কেটে স্যানিটাইজারের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগে অভিযান করা হয়। তারপরও যততত্র মাস্ক, স্যানেটাইজার বিক্রি না করার বিষয়ে অভিযান চালানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন :