চলছে ঘুষ বাণিজ্য কেরানীগঞ্জে অনুমোদনহীন সিএনজি পাম্প স্টেশন

স্টাফ রিপোর্টার

কেরানীগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত হয়েছে অনুমোদনহীন ৯টি সিএনজি স্টেশন। এসব এলাকায় যত্রতত্র সিএনজি পাম্পগুলো গড়ে উঠেছে। প্রতিটি পাম্প থেকে প্রতিমাসে ৪০০০০ চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হয় প্রসাশন কর্মকর্তাদের। অবৈধ সিএনজি স্টেশনগুলো নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পরিবহণ মালিকদের। পাম্প কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বড় বড় কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে পাম্প চালাই পাম্প বন্ধ হবে কেন? এক এক করে দুইবার সংবাদ প্রতিবেদন করলেও টনক নড়েনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বিস্ফোরকের প্রধান কর্মকর্তা সাক্ষাতে বলেন, কেরানীগঞ্জ উপজেলার কর্মকর্তারাই অভিযান পরিচালনা করতে পারেন এতে আামাদের অনুমোতির প্রয়োজন লাগেনা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে লড়ি ভর্তি সিলিন্ডার থেকে বিভিন্ন পরিবহণে গ্যাস বিক্রি করছে। কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেনা সিএনজি পাম্প স্টেশন মালিকরা। আমাদের কন্ঠের অনুসন্ধানে জানা গেছে, জিনজিরার বাদাম গাছ তলায় ১টি সিএনজি পাম্প, কালিন্দীর গদাবাগ এলাকায় ২টি, তারানগর ভাওয়ালে ২টি সাক্তায়, রামেরকান্দায় ১টি, লাকিরচরে ২টি ও মেদিনী মন্ডলে ১টি অনুমোদনহীন সিএনজি পাম্প রয়েছে।

এসব পাম্পে গ্যাস সরবরাহের কাজে প্রতিটি লড়িতে প্যাকিং করা হয় ১২০ টিরও বেশি গ্যাস সিলিন্ডার । প্রকাশ্যে সিলিন্ডার বোঝাই লড়ি কেরানীগঞ্জের অবৈধ সিএনজি পাম্প স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে চলছে অবৈধ কর্মকান্ড। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম নিচ্ছে ৪৬ থেকে ৫৪ টাকা। পরিবহণ শ্রমিক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে, পাম্প গুলো স্থানীয় প্রভাবশালীদের দাপটে গড়ে উঠেছে। তাদের নেই কোন পরিবেশ ছারপত্র, বিআরটিএর অনুমোদন, স্বাস্থ্যবিধির কাগজ পত্র, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি ডাইরেক্টর দেবাশীস বর্ধনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আপনারা তথ্য দিলে আমরা যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করব। গত ১৪/১০/২০২০ইং মুঠোফোনে এসিল্যান্ড কামরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একা অভিযানে যেতে পারবনা, আামার জানের মুল্য আছে। এ ব্যাপারে অবৈধ সিএনজি পাম্প স্টেশনে গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি ইনচার্জ মোঃ মইনুল হোসেন আমাদের কন্ঠকে বলেন, আামাদের কিছু জানা নেই, আামাদের কাছে কোন অভিযোগ আসলে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে এগুলো ভয়ংকর বোমার মত, এক একটি পাম্পে থাকে ৩/৪ টি করে কনটেইনার লড়ি সর্বমোট গ্যাস ভর্তি থাকে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৪৫০ টির মত সিলিন্ডার। এগুলো যদি বিস্ফোরণ হয় তাহলে ১/২ কিলোমিটারের বেশি ঘর বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। জানা গেছে, সাধারণ মানুষ প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ না খুললেও এ প্রতিবেদকের কাছে স্থানীয়রা বলেন, প্রতিদিন রাতে আামাদের পরিবার ও আমরা আতংকে দিন কাটাচ্ছি। তারা আরো বলেন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তাদের একটাই দাবী কেরানীগঞ্জ থেকে ভয়ংকর অবৈধ সিএনজি পাম্প দ্রæত বন্ধ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :