ত্রিশালের জনগণের সেবা করাই আমার মূল্য লক্ষ্য ———————– মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সরকার

খায়রুল আলম রফিক

ত্রিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সরকার বলেছেন, ফায়দা হাসিল নয়, ময়মনসিংহ তথা ত্রিশালের জনগণের সেবা করাই আমার মূল্য লক্ষ্য। ত্রিশালের জনগণের ভালোবাসা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ অর্থাৎ রাজনৈতিক মাঠে আমি উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। মাটি ও মানুষের সাথে আমার সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের উন্নয়নের কথা সর্বত্রই ভাবি। দৈনিক আমাদের কন্ঠের সাথে এক সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত কথা বলেন আব্দুল মতিন সরকার, তিনি বলেন ত্রিশালবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এর ধারবাহিকতা রাখতে চাই। চাই, ত্রিশাল উপজেলার কোথাও কাঁচা, ভাঙ্গা রাস্তা-ঘাট থাকবে না। এজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও আমরা যারা জনপ্রতিনিধি আছি তাদেরকে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে।

আমরা দুর্নীতিমুক্ত থাকলেই সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারিরা ঘুষ দুর্নীতি করতে সাহস পাবে না। দেশের সার্বিক উন্নয়ন থেকে ত্রিশাল অনেকক্ষেত্রে বঞ্চিত হয়েছে। ত্রিশাল উন্নয়ন থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তাই ভবিষৎতের জন্য আমাদের প্রকৃত জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। যারা আমাদের জন্য কাজ করবেন। দেশের ঐতিহ্যবাহী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি বিজড়িত ত্রিশাল উপজেলার রাস্তা- ঘাট এখনও অনেক কাঁচা আর ভাঙা। রাস্তা- ঘাট নির্মাণ ও সংস্কারে সরকারের বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়ে আব্দুল মতিন সরকার বলেন, আমি ত্রিশালের এমপি হিসাবে জনসেবা করার সুযোগ পেয়েছি। আমি সংসদ সদস্য (এমপি) থাকাকালীন ত্রিশালের সিংহভাগ উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। এবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে ত্রিশালবাসী আমাকে নির্বাচিত করেছেন। উপজেলাবাসীর সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে চাই। তিনি বলেন, পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে বাঙালি জাতি যখন ক্রান্তিলঘ্নে, তখনও দূর প্রবাস থেকে একমাত্র ভরসা হিসেবে পাশে ছিলেন শেখ হাসিনা।

তার বাবা-মা বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ স্বজনদের হারিয়ে বাংলার মানুষকে আপন করে নিয়েছেন তিনি। এখন তার লক্ষ্য একটাই- দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করা। ‘সেই ব্রত নিয়ে মানুষের কল্যাণে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মানুষের কথা বলতে গিয়ে তাকে বারবার হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে। জেলেও গিয়েছেন। কিন্তু তিনি দমে যাননি। বাংলার মানুষের প্রয়োজনে ঠিকই পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন শেখ হাসিনা। তার অসাম্প্রদায়িক, উদার, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে দিয়েছে এক আধুনিক ও অগ্রসর রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতি। তিনি বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উচ্চমর্যাদায় আসীন করে চলেছেন। বাংলার মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন উন্নত বাংলাদেশের। মতিন সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছিল বলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।

বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলো তার সুযোগ্যা কন্যা সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ক্ষমতায় আছেন বলেই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম নিয়েছিলেন বলেই আজ বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যখনই ক্ষমতায় এসেছেন, দেশে তখনই উন্নয়ন হয়েছে। এ কারণে তিনি বারবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বে তিনি বিশ্ব সেরা।
মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে শেখ হাসিনা সারা বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারেন। আপনারা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করেন, শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে, বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে। ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার কথা শুনলেই আতকে উঠে বুক। প্রিয় নেত্রীকে মারার জন্য জামায়াত-বিএনপি কি ভয়ানক নীল নকশা একেছিল সেদিন। রাজনীতিতে ৭১ এর পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতার পর এমন কোনও ন্যাক্কারজনক ঘটনা দেখেনি বাঙ্গালি। প্রতিবাদটুকুও করতে দেয়নি সারা দেশে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের তাদের প্রিয় নেত্রীর জন্য কান্না করতেও দেয়নি। এমন পরিন্থিতিতে আমরা ত্রিশালে প্রতিবাদ সমাবেশ করার জন্য দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করলে পুলিশ হামলা করে নেতা-কর্মীদের আহত করে এবং আমি এমপি থাকাকালীন অবস্থায় আমাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে এবং বন্ধুকের নল দিয়ে আমার হাতটি ভেঙ্গে দেয়।

প্রায় এক যুগ পরেও হাতে ব্যাথাটা পুরোপুরি সাড়েনি এখনও ব্যথায় বিছানায় পরে কাতরাতে থাকি। ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলা পরবর্তীতে জোট সরকারের অত্যাচারের কথা স্বরণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাংসদ আব্দুল মতিন সরকার।
সেই সময়ের দুঃসময়ের কথাগুলো বর্ণনা করে মতিন সরকার বলেন, ময়মনসিংহ তৎকালীন পুলিশ সুপার কোহিনুর তাকে বিভিন্ন সময় পিস্তল তাক করে আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার হুমকি দিলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে এক চুল পরিমাণ সরে না গিয়ে রাজপথে থেকে বিএনপি জোট সরকারের প্রতিবাদ করেছি। জানা গেছে, বিএনপি জোট সরকারের আমলের নির্যাতিত এই নেতা স্বাধীনতার পূর্ব থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থেকে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি হিসেবে সামনে থেকে রনাঙ্গনে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সবশেষ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মতিন সরকার। বর্নাঢ্য এই রাজনৈতিক জীবনে তিনি বেশ কয়েকবার মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন। এমনকি মিথ্যা হত্যা মামলায় বিএনপি সরকারের ৯১ আমল থেকে তাঁকে দীর্ঘদিন হয়রানি করা হয়েছে। শেষ বয়সে এসেও তিনি ত্রিশালের আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।২১ আগষ্টের হামলা মামলার রায় সর্ম্পকে মতিন সরকার বলেন, আজ ২১ আগষ্ট মামলার রায় হয়েছে ,আজ জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দলের সাবেক এমপি আবদুল মতিন সরকার ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় দাওয়াত পাননি। যখন প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা করছিলেন শহরের সার্কিট হাউস ময়দানে তখন মাঠের পাশে আবুল মনসুর সড়কে বসে তা শোনেন প্রবীণ এই নেতা। ময়মনসিংহ-৭ আসন থেকে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি হন মতিন সরকার।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ২০০৪ থেকে ১৩ বছর। ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।

মতিন সরকার দাওয়াত না পেয়ে আক্ষেপের কথা জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগে তার রাজনীতির হাতেখড়ি। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগে আছেন। জেল খেটেছেন, তবুও দল ছাড়েননি। বর্তমান নেতৃত্ব তাকে দাওয়াত না করলেও দলের প্রতি ভালবাসায় জনসভায় এসেছিলেন। কিন্তু বসার জায়গাও পাবেন না তা ভাবতে পারেননি। মতিন সরকারের ছেলে ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সরকার জুয়েল জানান,তার বাবা পাঁচ হাজার নেতাকর্মীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় এসেছিলেন।
মতিন সরকার সড়কে বসে বক্তৃতায় শুনলেও তার অনুসারীদের পাশ থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। জেলা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মতিন সরকারকে বাধা দেওয়া হয়নি। তার সঙ্গে থাকাদের নিরাপত্তার কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়। জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, মতিন সরকারকে দাওয়াত করা হয়নি। শোকের মাস আগস্টের ষষ্ঠ দিন। জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে শোকের কর্মসূচির মাধ্যমে পুরো মাস তাকে স্মরণ করছে। পথে-ঘাটে, পাড়া-মহল্লায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান, মিছিল-স্লোগান ও তার ভাষণ শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় জীবনে তার আদর্শের বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সত্যিকার সম্মান জানানো সম্ভব।
যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমরা হারিয়ে ফেলতে বসেছি, সেই নেতাকে দেখে বিশ্ব দিয়েছিল অভূতপূর্ব কিছু বিশেষণ। তাকে নিয়ে কিউবার প্রখ্যাত নেতা ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি।’ নিউজ উইক বঙ্গবন্ধুকে উল্লেখ করেছিল ‘পোয়েট অব পলিটিক্স’ নামে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকা মন্তব্য করেছিল- ‘মুজিব না থাকলে বাংলাদেশ কখনই জন্ম নিত না।
আমরা মিছিল-মিটিংয়ে বলি- স্বাধীনতার অপর নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ রকম কত নামেই না শেখ মুজিবুর রহমানকে ডাকা হয়।

তার মা-বাবার আদরের ডাকনাম ‘খোকা’ এখন ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’, ‘স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা’, ‘জাতির পিতা’, ‘বঙ্গবন্ধু’, ‘বাংলাদেশের জনক’সহ আরও অনেক নামে অভিষিক্ত।
কিন্তু সার্বিকভাবে তিনি একটি আদর্শের নাম। যে আদর্শে উদ্ভূত হয়ে বাঙালি জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিশ্বের বুকে জন্ম দিয়েছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। আমরা সবাই জানি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে। বাঙালি জাতিকে দীর্ঘদিনের শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্ত করে বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে। আর এসব করতে গিয়ে তিনি যা যা করেছেন, সেটাই তার আদর্শ।
এ আদর্শের মূল কথা ত্যাগ আর সংগ্রাম। যেখানে ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ, মোহ, পদ-পদবির ঊর্ধ্বে উঠে নিজের বিশ্বাসে অটল থেকেছিলেন তিনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব নয়, এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই ছিল তার লক্ষ্য।
বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে আমরা দেখতে পাই, তিনি কখনও ক্ষমতার পেছনে দৌড়াননি। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত-উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য।

আর তাতে অবিচল থেকে তিনি সমসাময়িক আরও অনেক বড় রাজনীতিবিদকে ছাড়িয়ে হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে খুব সংক্ষেপে তুলে ধরে মতিন সরকার বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়া, অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক-ধর্মনিরপেক্ষ-প্রগতিশীল রাষ্ট্র গড়ে তোলা আর মানুষের জন্য ভালোবাসা।
আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি, আত্মসমালোচনা, সমাজের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সমাজ থেকে দুর্নীতি নির্মূল ও শান্তি প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় কর্মচারীদের জনগণের সেবকে পরিণত করা, স্বাধীনতার সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করা, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করা, দেশ কী দিল, সেটা না ভেবে দেশকে কী দিলাম নিশ্চিত করা, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা, যা অন্যের স্বাধীনতা বিনষ্ট না করে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, নিচের দিকে তাকিয়ে চলা যাতে হোঁচট না খেতে হয়। বঙ্গবন্ধু তার আদর্শকে সারা জীবন কাজের মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। মতিন সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ অনুযায়ী রাষ্ট্র ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারি, ভোগে নয় ত্যাগে বিশ্বাস করি, তার বিশ্বাস, আদর্শ ও কর্মকে লালন করি, তাহলে সেটাই হবে তার প্রতি সত্যিকারের সম্মান প্রদর্শন।

আপনার মতামত লিখুন :