ত্রিশালে ওসিকে বিপাকে ফেলার পায়তারা

 কামরুজ্জামান মিনহাজ ,ময়মনসিংহ :

ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার ওসি মো:  মাহমুদুল ইসলাম পিপিএম । ত্রিশাল থানায় যোগদানের পূর্বে তিনি ময়মনসিংহ জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় ওসি হিসাবে কর্মরত ছিলেন । সেখানে তিনি আইন শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিকতার অনুকরনীয়, অনুসরনীয়, মহানুভব ও মানবিক  স্বীয় কর্মকান্ডে অবদান রাখায় জেলা পুলিশ ও বিভাগীয় পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিকবার পুরস্কৃতও হন । ময়মনসিংহ সদর উপজেলাবাসীর কাছে তিনি নিজেকে উপস্থাপন করতে সক্ষম হন একজন সফল , দক্ষ ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে । সদরবাসীর কাছে প্রশংসিত হন । তদ্রুপ তিনি ত্রিশাল থানায় যোগদানের পর থেকেই উপরোক্ত কর্মকান্ড ছাড়াও উপজেলার সার্বিক কর্মকান্ডে ভূমিকা রেখে চলেছেন । চুরি ডাকাতি, সন্ত্রাস রোধ, বাল্য বিয়ে রোধ, জঙ্গি দমন, সামাজিক ও সংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন এবং করোনা দুর্যোগকালে মানুষের পাশে দাড়িয়ে মানবিকার পরিচিয় দিয়ে চলেছেন । এই ওসি আজ বিপাকে পড়েছেন । ভুল ওষুধ খেয়ে বেঁচে গেছেন নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে ।
উপরন্তু তার বিরুদ্ধে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর করা হয়েছে মিথ্যা অভিযোগ । কয়েকটি  গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে,  ওসি মাহমুদুল ইসলাম ত্রিশালের এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে অযথা হয়রানি ও নির্যাতন করেছেন । ২৭ অক্টোবর পুলিশ সদর দফতরের আইজিপির কমপ্লেইন সেলে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। লিখিত অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ী আ. কাদির মীর ।
ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে ভুল ওষুধ দেয়ায় আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। সুগার নেমে আসে তিনের নিচে। প্রেসার কমে যায়। বিষয়টি জিজ্ঞাসা করার জন্য তাদের ডাকা হয়েছিল। কোনো নির্যাতন বা খারাপ আচরণ করা হয়নি। তিনি বলেন, ভুল ওষুধ খাওয়ার কারণে তো মারাও যেতে পারতাম। যেহেতু তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তারাই বিষয়টি দেখবেন কার কী দোষ।
ত্রিশালের সচেতন মহল জানান, ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ করা হয়েছে । ওসি মাহমুদুল ইসলামকে আমরা একজন ভাল মানুষ , মানবিক ওসি হিসাবেই জানি ।
এমন মিথ্যা অভিযোগ করে পুলিশের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করা হচ্ছে । তারা  ভুল ওষুধ সেবনের পরও ওসি সুস্থ্য থাকায় সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া জানান । তারা ওসিকে বিপাকে ফেলার পায়তারা  বলে মনে করেন
আপনার মতামত লিখুন :