নাচোলে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের কাহিনী প্রচার করে অন্যকে ফাঁসানোর চেষ্টা

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

এমএকে.জিলানী (নাচোল)ঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে পিআইসি কমিটির সভাপতির বরাত দিয়ে মাদরাসার সংস্কারের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা গুজব প্রচার করে অন্যকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, উপজেলার ফতেপুর ইউপির আলীশাহপুর দাখিল মাদরাসার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত টিনের চালা মেরামতের জন্য উপজেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে ২০২৪-২০২৫অর্থবছওে ২লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। চলতি বর্ষাকাল হেতু পিআইসি কমিটির মাধ্যমে বরাদ্দের ওই প্রকল্পটি নাচোল এলজিইডি অফিসের উপসহকারি প্রকৌশলী ফাহাদ আলী
কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন। পিআইসি কমিটির সভাপতি ফতেপুর ইউপির ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য ইসমোত আরার তত্বাবধানে বরাদ্দের ২ লাখ টাকার ১৫% ভ্যাট ও আইটি কর্তনের পর ১লাখ ৭০হাজার টকা খরচ করে টিনের চালা প‚ণঃনির্মান কাজ সম্পন্ন হয়। কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে ওই মাদরাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম যথারীতি প্রত্যায়ন প্রদান করেন। কিন্তু হঠাৎ করে প্রকল্পের সভাপতি ইসমোত আরা, মাদরাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম ও উপসহকারী প্রকৌশলীর মধ্যে একে অপরকে দোষারোপ করতে শুরু করে। ওই ইউপি সদস্য(প্রকল্প সভাপতি) ইসমোতারা প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠভাবে হয়নি বলে একটি প্রচার মাধ্যমে স্বাক্ষাতকার প্রদান করেছেন। ওই স্বাক্ষাতকারে উপজেলা নির্বাহী অফিসের কোন কর্মকর্তাকে দোষারোপ করেননি। কিন্তু দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা ও এনটিভি অনলাইন চ্যানেলের উপজেলা প্রতিনিধি জহরুল ইসলাম গত ৩০ মার্চ, ৮জুন ও ২২জুন অনলাইন পোর্টালে তিনদফা উদ্যেশ্যউম‚লকভাবে ইউএনও অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা(সিএ) রবিউল ইসলামকে দোষারোপ করে তাঁর নাম প্রচার করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী(এলজিইডি) সাদেকুল ইসলাম জানান, বরাদ্দের ২লাখ টাকার ১৫% ভ্যাট ও আইটি বাদে বাকি ১ লাখ ৭০ টাকায় প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রকল্প সভাপতির অস্বিকার করার কোন অপশন নেই। তিনি প্রকল্পের বিল-ভাউচার, এগ্রিমেন্টসহ সমস্ত কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। এমনকি ওই মাদরাসার সুপার রবিউল ইসলাম টিনের চালার কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে লিখিত পত্যয়ন দিয়েছেন। এলজিইডি দপ্তরের দায়িত্বপ্ত উপসহকারি প্রকৌশলী জানান, সুষ্ঠভাবে কজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প সভাপতি মোসাঃ ইসমোতারা প্রকল্পের ফাইলে স্বাক্ষর ও মাদরাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম প্রত্যয়ন প্রদান করেছেন। এদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কোন অভিযোগ না থাকলেও পিআইসি কমিটির সভাপতির মিথ্যা অভিযোগ পুঁজি করে একটি মহল উপজেলা নির্বাহী অফিসের উপপ্রশাসনিক (সিএ)কর্মকর্তাকে দোষারোপ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা জানান, তিনি শুধু প্রকল্পের চেকটি রেজিস্টারে এন্ট্রি করে ফাইলনোট লিখে ইউএনও স্যারের স্বাক্ষর নিয়ে এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ফাহাদকে চেকটি দিয়ে দিয়েছেন। টাকা-পয়সা লেনদেনের অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট। মনগড়া ও মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করার ফলে নাচোল উপজেলা প্রশাসনে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ