নাচোল(চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাউসার আলী ও কর্মচারীদের যোগসাজসে হাসপাতালের গো-খাদ্য ও ওষুধ পাচারের সময় স্থানীয় জনতা তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ তাদেরকে ওই হাসপাতালে রেখে ২ জনকে থানায় নিয়ে যান। মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। পাচারের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রহস্যজনক কারণে অভিযুক্তদের নিকট থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী বাজারের নাইটগার্ড দোস্তমহাম্মদ জানান, ডিউটি করার সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইউএলও এবং ৫/৬ জন কর্মচারী মিলে একটি স্টিয়ারিং গাড়িতে ফিডের বস্তা ও ওষুধ ভর্তি করছিলেন। বিষয়টি তিনি ইউনও, ওসি ও লেবার সর্দার রিপনকে জানান। রিপন উপস্থিত হলে তারা দ্রæত গাড়ী থেকে মালামাল নামিয়ে ফেলে। রাতে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ আছলাম আলী ফার্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থি হয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে রেখে গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালীয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে ক্রেতা গাজু আলী(৪৮) ও একই উপজেলার বচনাটোলা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে স্টিয়ারিং চালক ফারিকুল(৪৯)কে আটক করেন। ক্ষুব্ধ জনতা সকাল ১০টা পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম রব্বানী সরদার, সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুলতানা রাজিয়া ও নাচোল থানার ওসি আছলাম আলী অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যান। হাসপাতাল থেকে গো-খাদ্য ও ওষুধ পাচারের সাথে জড়িতরা হলেন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাউসার আলী, কর্মচারী আশিক, নারায়ন, মাহিদুর ও বাবু। ইউএনওর সহযোগিতায় ম্ল্যূবান সরকারী মালামাল হাসপাতাল থেকে রাতের বেলায় পাচারের ঘটনাটি তদন্তের নামে মুচলেকা নিয়ে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেয় প্রশাসন। এ ঘটনায় সচেতন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
- দৈনিক আমাদের কণ্ঠ: দেশজুড়ে, প্রকাশিত সংবাদ, শীর্ষ সংবাদ, সংবাদ শিরোনাম, সারাদেশ