নাজিরপুরে মালিখালিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি

নাজিরপুরে মালিখালিতে তালতলা নদীর তীরে ১৯০৭ সালে স্থাপিত মালিখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নান্দনিক সৌন্দর্য নষ্ট করে বিদ্যালয়ের সম্মুখে ভুমিহীনদের গৃহ নির্মান প্রকল্পের জায়গা অধিগ্রহন করায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীরা গতকাল রবিবার সকালে মানব বন্ধন করে।সাবেক ছাত্র অর্নিবান বালা বলেন, শুধু শিক্ষাই নয়, সাংস্কৃতিক , সামাজিক, রাজনৈতিক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। এই বিদ্যালয়টি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রত্যক্ষ চর্চা করে।গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্পের স্থান নির্ধারিত হয়েছে এ বিদ্যালয়ের সবুজ চত্তরের কোল ঘেষে। এ প্রকল্পটি এখানে বাস্তবায়িত হলে বিদ্যালয়টির নান্দনিক সৌন্দর্য নষ্ট হবে। শুধু বিদ্যালয়ের স্বার্থে বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ্ব ও এলাকাবাসী এই প্রকল্পটি অনত্র স্থানান্তরের জোড় দাবি জানান এবং বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করছেন। সাবেক ছাত্র অভিবাবক অমৃত লাল বালা বলেন এ প্রকল্প উক্ত স্থানে বাস্তবায়ন হলে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিপদগামী হবে।

বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক অসীত কুমার মল্লিক জানান, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের মৌখিক অনুমতিক্রমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভরাটকৃত নদীর সম্পসারিত ভুমিতে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচী গ্রহন করে, যার ফলশ্রুতিতে২০০৪ সালে বিদ্যালয়টি বৃক্ষ রোপনে মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে১ম স্থান অধিকার করে স্বর্নপাদক লাভ করে।তিনি আরো বলেন,আমি ভুমিহীনদের গৃহনির্মান প্রকল্প স্থানান্তর প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আদেন করেছি।উক্ত আবেদনের আলোকে পিরোজপুর জেলার রেভিনিউ ডেপুটি কাল্কেটর মো. ফখরুল ইসলাম গত ২৪ ফেব্রুয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দ্দেশ প্রদান করেন কিš‘ তিনি আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। এছাড়া অধিগ্রহন কৃত ভুমির মধ্যে রয়েছে সুবোদ মন্ডল,অনিল মন্ডল,সত্য রঞ্জন মন্ডল,কৌশুল্য রানী,অখিল চন্দ্র মন্ডল সহ আরো অনেকের বাংলাদেশ সরকারের নিকট থেকে ১৯৯২/৯৩ সালে কবুলিয়তনেয়া ভুমি। এ ব্যপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. ওবায়দুর রহমান জানান,উক্ত ভুমি খাস ভুমি। তাই ভুমিহীনদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :