নেত্রকোনা আ.লীগে অবদান রাখছেন মনোয়ার হোসেন সুজন

খায়রুল আলম রফিক

 

নেত্রকোনা জেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন সুজন । যার যোগ্য নেতৃত্বে নেত্রকোনাবাসীর সার্বিক সহায়তা ও সমর্থন লাভ করে চলেছেন । আওয়ামীলীগে মনোয়ার হোসেন সুজনের সফল নেতৃত্ব নেত্রকোনাবাসীর প্রত্যাশা পূরণকারী হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও কার্যকর । ছাত্রজীবন থেকেই অর্থাৎ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব থাকার সময় থেকেই মনোয়ার হোসেন সুজন নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানোর ক্ষমতা, দলীয় যেকোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সঠিক প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতাকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষমতা, যেকোন সিদ্ধান্ত নেতা- কর্মীদের জোর করে চাপিয়ে না দিয়ে নিজের মূল্যবোধ ও দূরদর্শিতাকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখেন মনোয়ার হোসেন সুজন।

মনোয়ার হোসেন সুজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত আওয়ামীলীগের সৈনিক এবং নতুন প্রজন্মের বাতিঘর। ছাত্রজীবন অর্থাৎ ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পযন্ত নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন । বর্তমানে তিনি নেত্রকোনা জেলা আওয়ামীলীগের নৈতিক গুণসম্পন্ন দক্ষ সাংগঠনিক শক্তির অধিকারী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রাণ। তিনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা, প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারণকারী, সৃষ্টিশীল কাজে উদ্যোগী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন এবং সামাজিক ন্যায়পরায়ন ব্যক্তি হিসেবে আজকের এই সময়ে একজন যোগ্য রাজনৈতিক নেতার উদাহরণ। তাঁর নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, নেতৃত্বের গুনাবলী, সৎচ্চরিত্রাবলী এবং রাজনৈতিক জীবনের বিশাল কর্মযজ্ঞই প্রমাণিত করে তিনি রাজনৈতিক মাঠের একজন কর্মদক্ষ কর্মী এবং আওয়ামীলীগের প্রাণ।

ছাত্রাবস্থা থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের আদর্শকে লালন করে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়েছেন। ২০০১ / ২০০৪ সালে তিনি জামাত-বিএনপির তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবারের সময়ে ১২টি মামলার আসামি হন । বিএনপি সরকারের আমলে জেল জুলুম অত্যাচারকে সহ্য করে প্রেত্মাতাদেরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আজকে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্টিত হয়েছেন । মনোয়ার হোসেন সুজনের নৈতিক গুনাবলী অসাধারণ। তাঁর এই নৈতিক গুনাবলীর জন্যই আজকের রাজনীতির মাঠে তিনি একজন জননন্দিত, জনপ্রিয় হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত। তাঁর এই জনপ্রিয়তা থাকার পরও তিনি কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেনি, অহংকার করেননি। নেত্রকোনার আওয়ামীলীগ নেতা- কর্মীদের দাবি, তিনি এমন একজন নেতার কর্মী হতে পেরে আমাদের অহংকার হয়, আমরা গর্ব করি।

মনোয়ার হোসেন সুজনের নিকট যেকোনো জায়গার আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী এবং সাধারণ নাগরিক যেকোন ধরনের সহযোগীতার জন্য তাঁর নিকট স্মরনাপন্ন হলে তিনি তাদেরকে শূন্য ফিরিয়ে দেননি। তিনি প্রসার করে দেন তাঁর সহযোগিতার হাত। তাঁর এই গুণাবলীর জন্য নেত্রকানা জেলা সহ প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দার নিকট আজ মনোয়ার হোসেন সুজন একজন মানবতাবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক জীবনে প্রায় অর্ধেকের বেশি সময় ধরে কারানির্যাতিত এই নেতা দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো দল এবং দলের নেতাকর্মীর সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করেননি। তাঁর পরিবারের প্রতিটি সদস্যের এবং তাঁর দেহের রক্তে মাংসে ষোলআনা আওয়ামীলীগ বিরাজমান। নেত্রকেনার কোনো নেতা এমনকি তাঁর রাজনৈতিক চরম বিরোধী শক্তিও বলতে পারবে না, তিনি কখনও ওয়াদা ভঙ্গ করেন নাই ।

তিনি নেত্রকোনার এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্তে আওয়ামীলীগের মিছিল মিটিং এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে জেলার উন্নয়ন কর্মকান্ডে এবং আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সুসংগঠিত করতে নিয়মিত ছুটে বেড়ান। রাজনীতিতে তাঁর এই কর্মদক্ষতার নেতৃত্ব এই সময়ের আওয়ামীলীগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, বিএনপি-জামায়াত বিরোধী আন্দোলন এবং ১/১১ এর রাজনীতির চরম দুঃসময়ে তিনি ছিলেন অগ্রসৈনিক। স্বৈরাচার, জামায়াত-বিএনপি এবং ১/১১ এর সময়ে মনোয়ার হোসেন সুজন জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করে আজকের মনোয়ার হোসেন সুজন হয়েছেন। তিনি একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা।

হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সবার জন্য তাঁর দরজা সব সময় উন্মুক্ত। তিনি নেত্রকোনার সর্বত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে এবং আওয়ামীলীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশনকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি একটি শক্তিশালী সংগঠন প্রতিষ্টায় বিশ্বাসী। তাঁর হৃদয়ে বাংলাদেশ, চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ, আদর্শে বঙ্গবন্ধু, রাজনৈতিক অনুসরনে জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আওয়ামীলীগের অত্যন্ত প্রহরী।আওয়ামী লীগের বিশ্বস্থ নিবেদিত প্রাণ। তিনি বঙ্গবন্ধু ও তার কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সৈনিক।

আপনার মতামত লিখুন :