পাথরঘাটায় ইদ্রিসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ একাধিক পরিবার

জাফর ইকবাল, পাথরঘাটা, বরগুনা

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ২ নং নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড নাচনাপাড়া গ্রামের বাসীন্দা মৃতঃ ধলু ফরাজির ছেলে মোঃ ইদ্রিস ফরাজি (৫০) এর অত্যাচারে প্রতিবেশি খোরশেদ খলিফার ছেলে মোঃ আবু খলিফা (৪৮) মৃতঃ কাছেম শিকদারের ছেলে হাজীবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আবুল কালাম আজাদ,ও মৃতঃ আব্দুর রহমান মাষ্টারের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম হিরুসহ ইদ্রিসের প্রতিবেশিরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠিত হয়ে পড়ছেন। জানা গেছে ইদ্রিসের মুল বাড়ি রায়হানপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড পূর্ব লেমুয়া গ্রামে। তিনি উল্লেখিত ৩ নং নাচনাপাড়া ওয়ার্ডের আজিজ খলিফার মেয়েকে বিয়ে করে ও খানের বাসীন্দা হয়েই আশে-পাশের প্রতিবেশিদের ওপর বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন শুরু করে আসছেন। তিনি উল্লেখিত ব্যক্তিদেরসহ একাধিক ব্যক্তিকে শারিরীক ও মানোসিক ভাবে নির্যাতন করেছেন। তারই দ্বারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল ছোট একটি মরা পেয়ারা গাছ কাটাকে কেন্দ্রকরে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠি সোঁটা নিয়ে মোঃ আবু খলিফা ও তার পরিবারের দিকে তেরে আসে। এসময়ে তারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ইদ্রিস ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগমসহ তার পরিবারের লোকজন আবু খলিফা ও তার পরিবারকে খুন জখমের হুমকি দেয় । এঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবু খলিফা ১৪ এপ্রিল পাথরঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন যার নং ৫০৯। এব্যাপারে আবু খলিফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদেরর জমির ছোট একটি মরা পেয়ারা গাছ আমি কেটেছি, সেই গাছকে কেন্দ্র করে ইদ্রিস গং আমাদেরকে খুন জখমের হুমকি দিয় ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে আসছে। আবু খলিফা বলেন ইদ্রিস গংদের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠিত। তিনি বলেন ইদ্রিস গংদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে আমি আমার বাড়ি বিক্রি করে অন্য কোথাও যেতে চাই। একই কথা বলেন ইদ্রিসের বাড়ির পাশের একাধিক ব্যক্তি।
ইদ্রিসের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ খান,সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন,একই এলাকার বাসীন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান মাস্টার, উল্লেখিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ খলিলসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উল্লেখিত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ইদ্রিসের উল্লেখ যোগ্য কোন আয় না থাকলেও সে মহা দাপটের সাথে ও ধুমদামে সে চলা ফেরা করে আসছে। তারা বলেন ইদ্রিসের চলা ফেরায় আমাদের সন্দেহ হয়। উল্লেখিত ব্যক্তিরা বলেন নাচনাপাড়া ইউনিয়নসহ গোটা পাথরঘাটা মাদকে সয়লাভ, তাদের ধারণা ইদ্রিস গংরাই এই অঞ্চলে মাদক সরবারহ করে আসছে। এবং তাদের সাথে এলাকার মাদক সম্রাটের সহোযোগিতা আছে বলে এলাকাবাসী জানান। তারা বলেন ইদ্রিস গংদের আইনের আওতায় আনতে পারলে নাচনাপাড়া ইউনিয়নসহ গোটা পাথরঘাটা মাদকমুক্ত হবে এবং এলাকায় শান্তি বিরাজ করবে। এব্যাপারে অভিযুক্ত ইদ্রিসের কাছে জানতে চাইলে তিনি হুমকি ধামকির কথা অস্বীকার করে বলেন তাদের সাথে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তাই ওই গাছ কাটার বিষয়ে আমরা জানতে চেয়েছি মাত্র।

 

আপনার মতামত লিখুন :