ফুলবাড়িয়ায় মেম্বার ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফেইসবুকে অপপ্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা

ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নে জনবান্ধব চেয়ারম্যান কবির হোসেন তালুকদার ও ১ নং ওয়ার্ডের আলী’গ সমর্থিত মানবিক মেম্বার হিসেবে পরিচিত রইস উদ্দিন দুদু ‘র বিরুদ্ধে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে চালানো হচ্ছে মিথ্যা অপপ্রচার। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, এনায়েতপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ডোবার পাঁড় এলাকার মৃত নায়েব আলীর পুত্র শওকত আলী মোল্লাকে মৃত দেখিয়ে বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাৎ ও সুস্থ ব্যক্তি কে প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদানের ব্যাপারে ফেইসবুকে যে ধু¤্রজাল সৃষ্টি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক। জানাযায়, শওকত আলীর বয়স্ক ভাতার কার্ড তার নিজের কাছেই রয়েছে। ভাতার বইয়ে টিপসহির মাধ্যমে নিয়মিত তিনি সোনালী ব্যাংক আছিম শাখা থেকে ভাতার টাকা উত্তোলন করে আসছেন। এর আগের ভাতার টাকাও সে উত্তোলন করছেন। সমাজ সেবা অফিস থেকে ব্যাংকে তালিকা পাঠানোর মিসিং এর কারণে জানুয়ারী – জুন ২০২০ সালের টাকা পায়নি। আর সুস্থ ব্যক্তিকে প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানের ব্যাপারে প্রতিবেশীরা জানান, তিনি এক্সিডেন্টে ঘরে শয্যাশায়ী। অভাব অনাটনের সংসারে চিকিৎসার খরচ বহন না করতে পারায় আমরা এলাকাবাসী মেম্বার চেয়ারম্যান কে বলে কার্ডটি করিয়েছি। দির্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর কোনরকম সুস্থ হলেও এখন ও লাঠি ছাড়া হাটতে পারেন না তিনি। ইউনিয়নের সচেতন মহলের দাবী, সামনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেম্বার ও চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ইমেইজ নষ্ট করতে অপপ্রচারে বক্যবস্ত হয়ে উঠেছে একটি চক্র । যৌথ সাক্ষাৎকারে ইউপি মেম্বার রইস উদ্দিন দুদু ও ইউপি চেয়ারম্যান কবীর হোসেন তালুকদার বলেন, আমাদেরকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি। স্থানীয়রা বলেন, এলাকাবাসী মেম্বার কে সৎ ব্যক্তি বলেই চেনেন।

তার পক্ষে এহেন কর্মকান্ডে জড়ানো মানে হাস্যকর বিষয় ।জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর যাবৎ টানা ২ বারের মত সুনামের সহিত ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রইস উদ্দিন দুদু। তার ব্যবহার, হাসিখুঁশি মন, বাচনভঙ্গি, অভিব্যক্তি সবই এলাকাবাসীর কাছে খুবই প্রাণবন্ত। দক্ষতা এবং নিজস্ব পদ্ধতি অনুসরণের কারণে অত্যান্ত কঠিন সমস্যাও সহজ করে সমাধান দেন তিনি । এলাকাবাসীর যেকোন সমস্যা , আপদ, বিপদে পাশে থাকেন তিনি । সাধারণত ঝামেলা এড়িয়ে চলেন । ইউপি সদস্য হিসাবে তিনি এনায়েতপুর ইউনিয়নের এক অনন্য আলোকবর্তিকা। তার পিতাও একাধিকবার মেম্বার ও পরিশেষে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দির্ঘদিন জনগনের সেবা করেন। বিনিময়ে ভালবাসা ছাড়া আর কিছুই পায়নি । এব্যাপারে শওকত আলীর পুত্র আলম এর কাছে তার পিতার মৃত্যুর সনদটি তার হাতে কিভাবে পেলেন জানতে চাইলে বলেন, তাঁর পরিচিত একজনের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু তাঁর নাম বলেনি। এসময় তার কাছে আসল মৃত্যু সনদ আছে কি না? জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আছে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা দেখাতে পারে নি। অভিযোগ রয়েছে মেম্বার কে বেকায়দায় ফেলতে ও আলীগ সরকারের সুনাম নষ্ট করতে একটি কুচক্রি মহল ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাক্ষর স্ক্যান করে ফটোকপি করে ইউনিয়নের সর্বত্র বিলি করছে।কিন্তু প্রকৃত মৃত্যু সনদের কোন হদিস নেই। ভুয়া ওই মৃত্যু সনদটিতে তদন্তকারী হিসেবে মেম্বারের স্বাক্ষরে ও কোন তারিখ উল্লেখ নেই। এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়নের সমাজকর্মী মোঃ আতাহার হোসেন বলেন, শওকত আলীর আমাদের রেজিস্ট্রারের তালিকায় নাম ছিল এবং আছে আর নিয়মিত ভাতাও পাচ্ছেন। হঠাৎ এই ভাতার সময় সমস্যা হলে আমার সাথে কথা হয় এবং তাদেরকে বলি অফিসে এসে একটি চিঠি নিয়ে ব্যাংকে জমা দিলেই ভাতা পেয়ে যাবেন। এখানে মেম্বার চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো ঠিক হয়নি। এটা হয়তো তাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করার একটা কৌশল হতে পারে।

 

আপনার মতামত লিখুন :