ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার বিস্তৃর্ণ  প্লাবিত

আব্দুর রহমান,নেত্রকোনা

গত কয়েক দিনের প্রবল ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের কারণে নেত্রকোনা জেলার প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তৃর্ণ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নেত্রকোনায় গত কয়েক দিন ধরে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে নেত্রকোনা জেলা প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার প্রধান প্রধান নদী কংশ, মগড়া, সোমেশ্বরী, উব্দাখালী ও ধনু নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধ অব্যাহত থাকায় দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার বেশীরভাগ ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল ঢলের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তোড়ে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের কালিকাবর বেরী বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। এছাড়াও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আমন বীজতলা, গ্রামীন কাঁচা রাস্তা ঘাট, পুকুর তলিয়ে গেছে। গাঁওকান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জুকিপূর্ণ বেরী বাঁধ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ও উর্দ্ধতন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রহিদুল হোসেন খান জানান, কালিকাবর বেরীবাঁধটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ইতিমধ্যে আমরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি। আশা করছি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অচিরেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবেন। কলমাকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ফারুক আহম্মেদ জানান, রবিবার দুপুর পর্যন্ত ৫৫ মি.লি. বৃষ্টিপাত হয়েছে। পাহাড়ী ঢলে ১৪ একর আমন বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে যাতে কৃষকের আমন ধানের বীজতলার কোন ক্ষয়-ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছি।

আপনার মতামত লিখুন :