মন্তব্য প্রতিবেদন ঢাকার সড়কের যানজট ইসির কর্মকা-ে বিভ্রাট সবই একাকার

এইচ এম জালাল আহমেদ ।।

 

তিনদিন পূর্ব পর্যন্ত ধারাবাহিক আলোচনা চলে আসছে সড়ক স্বাভাবিক নয় কেন। হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে আনা কি খুবই কঠিন কিনা। রাজধানীর সড়কে যানজটে নাকাল কেন সাধারণ মানুষ। যানজটের মধ্যেই পরিবহন বা যানবাহনের চালকরা বেপরোয়া হয়ে কতিপয় দানবে জড়িয়ে পড়ছে। প্রতিকার করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ উপস্থিত নেই। রাজধানী ঢাকা মহানগরীর সড়কগুলোর ফুটপাতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দখল করে অবস্থান করছে। তাদের কারনে যানজট ও হতাহতের ঘটনার অঘটন ঘটছে। দেশের সড়ক নিরাপদ চেয়ে রাজপথে নেমেছেন দেশের নন্দিত চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন নিরাপদ সড়ক নামক একটি সংগঠন নিয়ে। তার এ দাবির সাথে দেশ বিদেশের অধিকাংশ মানুষ সহমত প্রকাশ করেছেন। সভা সমাবেশ সেমিনার ও র‌্যালী বের করে বেশ একটা চাঞ্চল্যের সৃষ্টিও করেছেন। রাষ্ট্র সড়কে সংঘটিত বেপরোয়া অঘটন হতাহত নিয়ন্ত্রণ করতে কঠোর আইন প্রণায়ন করেছে। কিন্তু সব ঠিকঠাক থাকলেও সবক্ষেত্রে নেই শুধু যথার্থ প্রয়োগ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষে। তাই খুব খোলা মেলা আলোচনা করে আসছে আমাদের কণ্ঠ পত্রিকা নিয়মিতভাবে। যদিও বিশেষ কারনে তিনদিন একাধারে এ আলোচনা করা সম্ভব হয়নি বলেই প্রকাশিত হয়নি। এখানে সে আলোচনার ধারাবাহিকতা রাখার চেষ্টা করছিলাম।
গতকাল মঙ্গলবার লিখতে নয় কম্পিউটারে টাইপ করতে বসছিলাম আলোচিত বিষয়ের ওপর চলমান আলোচনা টাইপ করার জন্য। কিন্তু আলোচনার ধারনাটি একটু পাল্টে গেলে। কতিপয়ের দৃষ্টিতে জগাখিচুরি মনে হতেই পারে। কিন্তু আমার দৃষ্টিটা যেখানে সেখান থেকে চিন্তা করে আলোচনাটা পড়লে যথার্থতা অবশ্যই বুঝতে পারবেন। যারা তেমনটি বুঝতে পারবেন তারা অমনটি মনে করবেন না।

কারন তিনি বা তারা যথার্থতা বোঝার পর ভুল ধারনাটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলবেন বলে বিশ্বাস করি। একটু খেয়াল করলে অবশ্যই খুব সহজেই বিষয়টি বুঝে নিতে সক্ষম হবেন। সহজ এবিষয়টি সবার চোখের সামনের এবং না বোঝার কিছু নেই। তবুও কিছুটা তুলে ধরা না হলে লেখনির শীরো নামের কোন স্বার্থকতা থাকে বলে মনে হয় না। রাজনৈতিক, সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার কর্মকর্তাসহ ব্যক্তিরা কে কোথায় কিভাবে কি বক্তব্য রাখছেন এবং লিখছেন তাতে যথেষ্ঠ বিভ্রাট সৃষ্টি হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। নানা প্রশ্ন জন্ম নিচ্ছে তাদের বক্তব্যে। যেমনটি রাজধানী মহানগরী ঢাকার সড়কে যানজট ও হতাহতের ঘটনা ঠিক তেমনি আমাদের আস্থার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিনের দায়িত্ববানদের বক্তব্য। যানজটের সাথে যেন তাদের বক্তব্য জটলার সৃষ্টি করছে। এ বিষয়টি নিয়ে কয়েকটি লাইন কম্পিউটারে টাইপ না কেেল নিজের মধ্যে একটা শুণ্যতা থেকে যেতে পারে।
পেছনে তিনদিন চলমান আলোচনা আলোচিত হয়নি। আজো না হয় সে আলোচনাটার ধারাবাহিকতার ভিন্ন কথাগুলো তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে হলো। নির্বাচন কমিশনকে আমরা সংক্ষেপে ইসি বলে থাকি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আমরা সংক্ষেপে সিইসি বলে থাকি এবং লিখি। তাই এখানেও ইসির কমিশনার ও সিইসিই লিখে বোঝাতে চাই। ইসিতে সিইসিসহ পাঁচ কমিশনার রয়েছেন। সিইসির আলোচনার প্রয়োজন হবে না। কারন তিনি যা বলেন তা সবাই জানেন এবং তিনি যখন বক্তব্য রাখেন তখন কেউ সেদিকে দৃষ্টি রাখেন কিনা জানা নেই। তবে একজন ইসি কমিশনার রয়েছেন তার বক্তব্য অনেকেই শোনেন এবং পত্রিকায় পড়েন পাঠকরা। কারন সে ইসি কমিশনার কি বলছেন কেন বলা প্রয়োজন মনে করছেন এবং কোন সময় তিনি কথাগুলো তুলে ধরছেন তা মেলানোর চেষ্টা করেন অনেকে। তার বক্তব্যে গুরুত্ব থাকে বলে বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন। তারা বক্তব্য নিয়ে টিভি টকশোগুলোতে নানা সময় আলোচনায় স্থান পেয়েছে।

যা এখনো পাচ্ছে। একজন ইসি কমিশনার যে সিইসির বক্তব্যের বিরোধীতা করছেন তা ঠিক নয়। তিনি ইসির করণীয় এবং না করণীয় বিষয়টি পরিস্কার করছেন। তেমনটিই আলোচকরা মনে করছেন। মোটা দাগে বলা যায়, ঢাকার সড়কের যানজট ইসির কর্মকা-ে বিভ্রাট সবই একাকার। এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ক্ষেত্র তারা তৈরি করছেন। এ নিয়ে ভিন্ন আলোচনায় তুলে ধরার চেষ্টা করবে দৈনিক আমাদের কণ্ঠ।
চলমান মুল আলোচনার মাঝে নেহাত জনগুরুত্বপূর্ন বিষয়টি আলোচনায় স্থান দিতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দেশের বেশ কয়েকটি অনলাইন মিডিয়ায় সিইসির বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। একইভাবে প্রকাশিত হয়েছে একজন সিইসির বক্তব্য। দু’জনের বক্তব্যে দেশের বাইরের কতটা আলোচিত হচ্ছে বা জানা নেই। তবে দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও অনলাইন পত্রিকাগুলোতে খুব গুরুত্বে সাথে প্রকাশিত হয়েছে। প্রচার ঘটেছে অনেক। সিইসি বলছেন ইসিতে একজন ইসি রয়েছে তিনি বারবার কমিশনকে হেয় প্রতিপন্ন করছেন। নাম উল্লেখ না করে তাকে নানা সমালোচনার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন। তার এরূপ বক্তব্য প্রকাশ প্রচারিত হবার পর নানা মহলে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। যদিও গানিতিক কোন পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে বলা মুশকিল। তবে বাস ট্রেনে বা লঞ্চ বা চা এর দোকানে উপস্থিত ও সমালোচনায় অংশ নেয়া মানুষগুলোর অধিকাংশ ব্যক্তি ইসির এক কমিশনারের বক্তব্যকে সমর্থন করছেন বেশী।

তারা সিইসিকে নিয়ে যে কথা বলছেন তা কম্পিউটারে টাইপ করা বা কোন মিডিয়ায় তুলে ধরা রুচিতে ধরার মত নয়।
যে বিষয়টিকে নিয়ে মুল আলোচনার ভেতর এ আলোচনাটির ওপর গুরুত্ব দেয়া জরুরি মনে করার কারন হচ্ছে, যদি ইসির একজন কমিশনার যদি ইসির পরিবেশ পরিস্থিতির ক্ষতি করে এবং আস্থার সংকট সৃষ্টি করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন? সিইসির বক্তব্য যদি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসির সে কমিশনারের বক্তব্যের চেয়ে বেশী গ্রহণযোগ্য হতো তাহলে সাধারণ মানুষ ভিন্ন কথা না বলে পারতেন বলে মনে হয় না। যাই হোক সিইসি ও ইসির একজন কমিশনারের বক্তব্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে তার অবসান জরুরি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরিস্কার করেই বলা যায় রাজধানীর ফুটপাত যেমন হকার নামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দখলে, সড়কগুলোর অধিাংশ স্থান রংপার্কিং গাড়ীরর দখলে। পথচারীর গাড়ি ও ফুটপাত ঠেলে ভোগান্তিতে চলাচল করেন। যানজট সড়কে চালক নামের দানবদের বেপরোয়ায় হতাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যপক সঙ্কা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। একইভাবে নির্ববাচন কমিশনের সিইসি ও ইসি কমিশনার এর বক্তব্যে পরিস্কার ভাষায় বলা যায়, ঢাকার সড়কের যানজট ইসির কর্মকা-ে বিভ্রাট সবই একাকার। আগামী কাল পড়–ণ চলমান আলোচনা।

 

আপনার মতামত লিখুন :