মন্তব্য প্রতিবেদন লকডাউন লম্বা হলে ব্যবসায়ী মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে

এইচ এম জালাল আহমেদ

বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি তিন দিনে প্রাণ হারিয়েছেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে অধিক। রীতিমত সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ারমত। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত না হলে আশঙ্কামুক্ত নন। রাষ্ট্র করোনা ভাইরসের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের অর্থনীতির ওপর বড়ধরনের ধাক্কা পড়ার পরও লকডাউনের মতো একটা কঠোর কর্মসূচি নিয়েছে। কঠোর লকডাউন বাংলাদেশের পরিবহন ও ব্যবসায়ীদেও মধ্যে প্রভাব বিস্তার করছে। তাই তাদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে। লকডাউন বলতে গেলে আজ প্রায় ১২ দিন ধরে চলে আসছে। এ লকডাউনে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকদের ওপর বেশী প্রভাব পড়ছে। নানা কারনে তাদের অধিকাংশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। আরো যদি লম্বা করা হয় লকডাউনের সময়সীমা তাহলে নানা মহলের ক্ষোভ সৃষ্টি হবার সম্ভবনার কথা বলছেন অনেকে।
চলমান লকডাউনের মধ্যে বেশ কয়েকজন আলোচিত ব্যক্তি প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

তাদেও প্রাণহানিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের ভিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাদের প্রাণহানি না ঘটলে দেশের মানুষ করোনার প্রভাব যে কয়েখগুণে বেড়েছে তা বিশ্বাসই করানো যেত না। লকডাউন সাধারন মানুষ তেমন একটা মানছেন না। যদিও অনেক মানুষ মানা তো দুরের কথা করোনা নামের একটা ভাইরাস রয়েছে তাও বিশ্বাস করতে চান না। কতিপয়ের ভাবনা করোনা ভাইরাস র্অথশালীদেও জন্য খেটে খাওয়া মানুষের জন্য নয়। রোগ জীবনু কোন কিছু কি কখনো গরীব ধনী বা কালো সুন্দর বেচে বেচে গ্রাস করে? না তেমনটি নয় কোন ভাইরাসই গরীব ধনী কালো ফরসা শিশু বৃদ্ধ নর নারী কোনটাই বিবেচনা করে না। সেরকমই ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগের ভাইরাস। যেমনটি করোনা ডেঙ্গু। ভাইরাস আসলে ওখানে ঢোকতে পাওে না যেখানে রোগ প্রতিরোধ বিদ্যমান থাকে। যে মানুষটি সারা দিন পরি¤্রম করেন তার দেহে অবশ্যই ভাইরাস সহজে প্রবেশ করতে পারেনা। কারন শ্রমের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিদ্যমান।
ডাক্তার নই তারপরও অজানতেই ডাক্তারের মতো কথাগুলো বলতে ছিলাম। আজ যে বিষয়টি লক্ষ্যণীয়।

সরকার আরো সাতদিন নাকী লকডাউনের মেয়াদ বাড়াচ্ছে। এ সংবাদ গুজব হোক আর সত্যই হোক সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। লকডাউনের সময় বৃদ্ধি নিয়ে ঘোষণার পূর্বের্ই ভিন্নধরনে কথাবার্তা ব্যবসায়ী মহলে শোনা যায়। লকডাউনটা এমন এক সময় সরকার পালন করছে যে সময়টি সংখ্যাঘড়িষ্ট মানুষের ধর্মীয় সবচেয়ে বেশী ফজিলতে ইবাদত ঠিক সে সময়। এ সময় ব্যবসায়ীদেও একটা মুনাফার সময়। কারন এ মাসে নব কিছুরই বেচাকেনা বৃদ্ধি পায়। ঠিক সে সময় লকডাউন তারা খুব সহজে মেনে নিতে চাচ্ছেন না। যদিও হাট বাজার খোলা রয়েছে। তবে সরকার যে সব ব্যবসায়ীদেও থেকে ভ্যাট ও কর বেশী পাবে সে সব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এতে যেমন ব্যবসায়ীদের লোকসান তেমনি রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি। সব মিলিয়ে লোকসানের পাল্লাটা অনেকটা ভারী। গতবছর লোকসানের একটা অংশ তারা পেয়েছে সরকারের তরফ থেকে। এবার তেমন সুযোগ রয়েছে বলে জানা নেই।
ঐাই হোক লকডাউনের সময়সীমা বাড়লে ব্যবসায়ীদের মোধ্য ক্ষোভ বাড়তে পাওে বলে ইতিমধ্যেই শোনা যাচ্ছে। কিছু ুকছু ব্যবসায়ী দাবিও তুলছেন। অপরদিকে করোনা ভাইরাসের প্রভাবও অনেকটা বেড়ে গেছে। প্রাণহানি এবং আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। সরকার লকডাউনের যৌক্তিক যুক্তি থুলে ধরছে। বলাবাহুল করোনা ভাইরাস যে সব স্থান থেকে বিস্তার ঘটার কথা বলা হয়েছে সে ব স্থান অরক্ষিত।

নিয়ন্ত্রণ নেই সেসব এলাকায়। যদিও শতভাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রাস্তাঘাটে বাসা বাড়িতে ও মহল্লায় কোথাও শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি বলবদ নেই। সোজা কথা প্রয়োজনীয়টা মনে হয় মথভাগ প্রতিপালন হচ্ছে না। তেমনটিই আলোকরা বলছেন। এ কারনেই ঘনপরিবহন ও ব্যবসায়েিদও পক্ষ থেকে পাল্টা যুক্তি তুলে দাবি দাওয়া তোলার চেষ্টা করছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকার পড়েছে দোটানার মধ্যে। লকডাউনের সময় বুদ্ধি করা হলে তা হতে পাওে সরকারের জন্য বার্তি একটা চাপ। মূল কথা হচ্ছে লকডাউনের যতই প্রয়োজনীয়তা থাকুক না কেন বিদ্যমান সময়ে বড় একটা ঝুকি সৃষ্টি হতে পাওে সরকারের জন্য শতভাগ বা¯বায়নের ক্ষেত্রে। যাই হোক এ বিষয়টি সরকার নিশ্চয়ই খেয়াল রাখছে এবং রাখবে। সবই সময় বলে দিবে কি হবে না হবে।

 

 

আপনার মতামত লিখুন :