মুন্সীগঞ্জ মিনাবাজার এলাকায় জমি ভরাট নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

সাইফুল ইসলাম,মুন্সিগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ আধারা ইউনিয়নের সৈয়দপুর মিনাবাজার এলাকায় জমি ভরাট নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।এক পক্ষ বলছে জমি ভরাট করলে কৃষি জমির পানি নামবেনা। নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। প্রায় ২০০ একর ফসিল জমি চাষ করতে পারবেনা। অপর পক্ষ বলছে কৃষি জমির পানি নামার এটাই একমাত্র জায়গা না। কৃষির জমির পানি নামার খাল রয়েছে। সরেজমিনে শনবিার, সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের সৈয়দপুর মিনাবাজার এলাকায় ব্যক্তি মালিকানা একটি নিচু জমি ভরাট করছে জমির মালিক শফি খান ,আনিস মৃধাসহ আরো অনেকে। জমিটি ভরাটের লক্ষে ব্রিজ ঘেঁষে বাঁশ দিয়ে আরঘোড়া দেয়া হয়েছে। এতে করে ব্রিজের নিচ দিয়ে পানি প্রভাব বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে সেই জমি ভরাট হলে পাশ্ববর্তি কৃষির জমির পানি আটকে যাবে এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মজিবুর সৈয়ালসহ আরো অনেকে।

তবে পানি আটকানোর বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন জমির মালিক শফি খান ও আনিস মৃধারা। তারা পাল্টা অভিযোগ করেন মজিবরের বাজার নষ্ট হওয়ার কারণে মিথ্যা অভিযোগ করে ভরাট কাজে বাঁধা দিচ্ছে। এতে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগ কারী মজিবুর সৈয়াল বলেন, আধারা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আনিস মৃধা গংরা ব্রিজের নিচে বাঁশ দিয়ে বাঁধ করে খাল বন্ধ করছে। মিনাবাজারের সাথে ব্রিজের নিচের এই জমি ভরাট হলে এ এলাকার কৃষি জমির পানি সরতে পারবেনা। ফলে কৃষকদের কৃষি কাজ ব্যাহত হবে। তাই জমিটি যেন ভরাট করতে না পারে তার জন্য আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষ্যেপ কামনা করছি।

অপরদিকে জমির মালিক শফি খান ও আনিস মৃধা বলেন, ভরাটকৃত জমি দিয়ে পানি নামার প্রশ্নই আসেনা। কৃষি জমির পানি প্রবাহের খাল রয়েছে। মজিবুর সৈয়াল ও তার লোকজন ইচ্ছা করে আমাদের কাজে বাধা দিচ্ছে। তার কারন আমরা এই জমি ভরাট করে দোকানঘর নির্মান করবো আর সেটা হলে মজিবুর সৈয়ালের মিনাবাজারে লোকজন কমে যাবে তার জন্য ওনি আমাদের পিছনে উঠে পরে লেগেছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো.ইব্রাহীম জানান, ভরাট কৃত জমি তাদের ব্যক্তি মালিকানা । তার পরেও আমরা ভরাট করতে নিষেধ করেছি।

আপনার মতামত লিখুন :