রাজাপুরে সংখ্যালঘু মুচি পরিবারের সম্পত্তিতে ঘর উত্তলনের অভিযোগ

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাকরাইল এলাকায় সংখ্যালঘু মুচি শিবু দাস ও গঙ্গা চরন দাসের বন্দোবস্ত সম্পত্তিতে আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর উত্তলনের অভিযোগ উঠেছে। শিবু দাস অভিযোগ করে বলেন, ইং ২০১৮ সালে প্রতিপক্ষ হোসেন আলী খান ও মোয়াজ্জেম আলী খান উভয় পিতা করম আলী খান জোর পুর্বক আমাদের বন্দোবস্ত সম্পত্তিতে ঘর উত্তলনের শুরু করে। তখন আমি আদালতের শরণাপন্ন হইলে আদালতের আদেশে স্থানীয় প্রসাশনের মাধ্যমে সেখানে ঘর উত্তলনের কার্যত্রæম বন্ধ হয়। প্রতিপক্ষ মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে অফিস আদালত বন্ধ থাকার সময়কে পুজিকরে আদালতের আদেশ অমান্য করে পুনরায় ঘর উত্তলনের কাজ শুরু করে। তখন আমি নিরুপায় হইয়া জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও থানা পুলিশ সরজমিনে পরিদর্শনে গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘর নির্মানের সামগ্রী ফেলে রেখে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা।পরবর্তিতে তাদের কাউকে না পেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও থানা পুলিশ দুটি লোহার দরজা ও কিছু নির্মান সামগ্রী জব্দ করে। উপজেলা নির্বাহি অফিসারের নির্দেশে এক সপ্তাহ পরে সরকারি সার্ভেয়ার জমি পরিমাপ করতে সরজমিনে গেলেও পুলিশ উপস্থিত না থাকায় পরিমাপ না করেই সে চলে আসে।

পরবর্তিতে প্রতিপক্ষ পুনরায় ঘর উত্তলনের কাজ শুরু করে। আমি থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে তারা আমায় ইউএনও স্যারের কাছে যেতে বলে। উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে জমির কাগজ পত্রের বিশ্লশনে আমি যাহাতে সঠিক বিচার পেতে পারি তাই সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের আশু দৃস্টি কামনা করছি। উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো:সোহাগ হাওলাদার বলেন,তদন্তকারী পুলিশের এস আই বিবাদী পক্ষের আধাপাকা বিল্ডিংএর কিছু নিমান সামগ্রী জব্দ করে। সে দূর্ঘটনা জনিত কারনে অসুস্থ থাকায় সার্ভেয়ার সাহেবের একটি চিটা নকশা করে ওসি সাহেবের কাছে দেয়ার কথা।শিবু দাস এখানে সরকারি জমি বন্দোবস্ত পেয়েছিলো আজ থেকে ৪০-৫০ বছর আগে।বর্তমানে বিএস জরিপে তাদের নামে রেকর্ড হয়ে যায়।ওখানে দুটি মৌজার মিলন স্থল তাই মৌজা সিমানা নির্ধারন করতে পারলে শিবু দাসের জমি নির্নয় করা যাবে।

আমি সার্ভেয়ার সাহেবকে ঔ জমির সিমানা নির্ধারন করার জন্য বলেছি। সার্ভেয়ার মো:রফিক বলেন,ওখানে আমার কোনো দ্বায়িত্ব ছিলোনা। আমি পুলিশকে সাহায্য করতে ওখানে গিয়েছিলাম কিন্তু ওখানে সেদিন পুলিশ উপস্থিত ছিলোনা।আমাকে মৌখিক ভাবে পাঠাইছে ইউএনও স্যারে আমি মৌখিক ভাবেই গেছি।আমরা ওখানে একটি সিমানা রাইখা আসছি এবং তাদের কে বলছি তোমরা দেইখা রাখো। অভিযুক্ত মো:হোসেন আলী খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমার মুখের কথা কাগজের সাথে মিল হবেনা। আপনারা তাদের কথা প্রকাশ করেন আমরা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিবো।

 

আপনার মতামত লিখুন :