মোঃ আবু কাওছার মিঠু (নারায়ণগঞ্জ):
১০ম গ্রেড না পেলে ৪ ডিসেম্বর থেকে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচীর আলটিমেটাম দিয়েছেন রূপগঞ্জের টেকনোলজিস্টরা। দীর্ঘ দিনের বৈষম্য এই কর্মবিরতির মূল চালিকাশক্তি হলো বেতন কাঠামোতে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও বঞ্চনার অভিযোগ। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা ৩১ বছর ধরে ১১তম গ্রেডে নিয়োগ প্রাপ্ত হচ্ছেন। আন্দোলনকারীরা জানান, ২০১৫ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টেকনোলজিস্টদের জন্য ১০ম গ্রেড নির্ধারণ করলেও তা আজও কার্যকর হয়নি। একই যোগ্যতা সম্পন্ন অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হলেও তারা বঞ্চিত। ১৯৯৪ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে নার্সদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে কৃষি ডিপ্লোমাধারীদেরও ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মরত থাকা সত্তে¡ও তাদেরকে অবহেলিত ও জীবন-মানের দিক থেকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। একইভাবে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাব সেন্টারে কর্মরত ফার্মাসিস্ট ও টেকনোলজিস্টরা (৩ডিসেম্বর) বুধবার সকাল ৮ থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অর্ধবেলা কর্মবিরতি পালন করেছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ল্যাব ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি বিএমটিএ আলমগীর কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার মোল্লা,ফার্মাসিস্ট মোঃ বাদল মিয়া, ফার্মাসিস্ট শাহজাদি হারুন, ফার্মাসিস্ট চন্দনা বিশ্বাস,মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রেডিও গ্রাফী সেলিনা সুলতানা, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ল্যাব গোলাম মোস্তফা, সেনিটারী ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম, ইপিআই আওলাদ হোসেন প্রমুখ । বক্তারা বলেন,আমরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টগণ ৩১ বছর ধরে ১১তম গ্রেডে নিয়োগপ্রাপ্ত। ২০১৫ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টেকনোলজিস্টদের ১০ম গ্রেড নির্ধারণ করলেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। বৈষম্য দূর করতে আসা সরকার যদি আমাদের দিকে না তাকায় তাহলে অবহেলার শিকার হবো আমরা।
- দৈনিক আমাদের কণ্ঠ: দেশজুড়ে, প্রকাশিত সংবাদ, শীর্ষ সংবাদ, সংবাদ শিরোনাম