সৃষ্টিতে বাঙালি অনন্য

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, সৃষ্টিতে বাঙালি অনন্য। বাঙালির মেধা ও মননে যে স্বকীয়তা রয়েছে, তা অনেক জাতির মধ্যেই নেই।

তিনি বলেছেন, পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে আমাদের লড়াই করে বাঁচতে হয়। আর এই লড়াইয়ের মধ্যেই শিল্প এসেছে। আধুনিক স্থাপত্য বিদ্যায় বাঙালির অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়। আজকেই এই প্রকাশনাও তারই প্রমাণ বহন করছে।

‘বেঙ্গল স্ট্রিম : দি ভাইব্রান্ট আর্কিটেকচার সিন অফ বাংলাদেশ’ বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে ওই প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজুল আনাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেনে হোলেনস্টিন।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী এই প্রদর্শনীর প্রসংশা করে বলেন, বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যকলার অনুপ্রেরণা হিসেবে এদেশের সবুজ প্রকৃতির অবদান অবশ্যই আছে বলে তিনি মনে করেন।

বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস এর উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি আবুল খায়ের সুইস আর্কিটেকচার মিউজিয়াম ও প্রদর্শনীর প্রধান নির্দেশক নিক্লস গ্রাবারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।

এসময় তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান মাথাগুলোকে একসঙ্গে না করে কোনো বিভাগেই দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব না।

বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস এর মহাপরিচালক কাজী খালিদ আশরাফ বাংলাদেশের স্থপতির ইতিহাস ও এর চর্চাসহ বেঙ্গল স্ট্রিম এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রদর্শনীর প্রধান নির্দেশক নিক্লস গ্রাবার বাংলাদেশের স্থপতিদের স্বকীয়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অন্য দেশের স্থপতিরা বাংলাদেশ থেকে অনেক কিছু শিখবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজুল আনাম বলেন, আমরা উন্নয়ন দেখছি, আবার একটি নগরীর মৃত্যুও দেখছি। হাজারীবাগ থেকে চামরা কারখানা সরিয়ে সাভারে নেয়া হল। অর্থাৎ বুড়িগঙ্গাকে রক্ষার নামে শীতলক্ষাকে হত্যা করা হল। এমন উন্নয়ন গণমানুষের কল্যাণে আসে না।

আপনার মতামত লিখুন :