সোনার বাংলা বাস আরপি ভঙ্গের দায়ে আটক: যাত্রী ভোগান্তি চরমে

শহিদুল ইসলাম খোকন, গাইবান্ধা

গাইবান্ধা শহরস্থ পুরাতন জেলখানার মোড়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর আরপি ভঙ্গের অজুহাতে সোনার বাংলা পরিবহন (বাস) ২টি আটক করেন গাইবান্ধা জেলা ট্রাফিক পুলিশ। ফলে সুন্দরগঞ্জ হতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম যাতায়াতে যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
জানা যায়, সোনার বাংলা ব্যানারে ৪টি বাস ঢাকা মেট্রো-ব- ১৫-৫৮১৬, ৫৮১৭, ৬৩২০ ও ৬৩২১ সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী রুট পারমিট নিয়ে চট্টগ্রাম, রংপুর ভায়া ফেনী, কুমিল্লা, মদনপুর, গাউছিয়া, মিয়ার বাজার, গাজিপুর বাইপাস ভায়া কালিয়াকৈর, টাঙ্গাইল, যমুনা সেতু, নলকা ও বগুড়া নিয়মিত চলাচল করে আসছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, গাইবান্ধা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন ও জেলা মটর মালিক সমিতি গত ১৫/০৬/২০২০ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক ও চেয়ারম্যান বিআরটিএ গাইবান্ধা জেলা বরাবরে ১টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

যার ফলশ্রæতিতে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) বিআরটিএ গাইবান্ধা সার্কেল সোনার বাংলা গাড়ী ৪টি সুন্দরগঞ্জ রুট থেকে দ্রæত সরিয়ে নির্দিষ্ট রুটে চলাচলের জন্য পত্র ইস্যু করেন। অথচ একই ধরনের রুট পারমিট নিয়ে সুন্দরগঞ্জ থেকে অর্ণব, সোনালী, জান্নাত, গোবিন্দগঞ্জ স্পেশাল, মিথিলা, সুন্দর ও মন্ডল এবং বেলকা থেকে জান্নাত, আইভি, শানে খোদা, অন্তর, ইসলামিয়া ও শান্ত সরদার কীভাবে নিয়মিত চলাচল করে আসছে, তা বোধগম্য নয়। এ ব্যাপারে গত ০৫/০৮/২০২০ তারিখে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে সোনার বাংলা কর্তৃপক্ষ লিখিত জবাব দিলেও গত ১০/০৯/২০২০ তারিখে ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৫৮১৭ ও ৬৩২১ নং সোনার বাংলা বাস ২টি যাত্রী নিয়ে সুন্দরগঞ্জ থেকে গাইবান্ধার পুরাতন বাজার জেলখানার মোড়ে পৌঁছলে ট্রাফিক পুলিশ আটক করে আর.পি ভঙ্গের দায়ে মামলা দায়ের করা হয়।

ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহলের প্রশ্ন একই রুট পারমিট নিয়ে সুন্দরগঞ্জ ও বেলকা থেকে যদি অন্যান্য পরিবহন মালিকেরা তাদের বাসগাড়িগুলি চালাতে পারেন তাহলে সোনার বাংলা পরিবহন ব্যানারের গাড়ি ৪টি কেন চালানো যাবে না। এ ব্যাপারে সোনার বাংলা বাস মালিকের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি গাইবান্ধা জেলা মটর মালিক সমিতি ও বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের বৈষম্যের শিকার। জেলা ট্রাফিক পুলিশ যোগসাজসিকভাবে অন্যান্য বাস মালিককে পাশকাটিয়ে শুধুমাত্র সোনার বাংলা পরিবহন আটক করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছেন বলে আমাদের কন্ঠকে জানান।

আপনার মতামত লিখুন :