স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফরিদপুর সিভিল সার্জনের নানাবিধ পরিকল্পনা

ফরিদপুর প্রতিনিধি

সৃজনশীল কার্যক্রম, জনসাধারনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আর নানামুখী উন্নয়ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে দৃঢ় প্রত্যয়ে কাজ করে চলছেন বর্তমান ফরিদপুর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মো: ছিদ্দীকুর রহমান। জনস্বাস্থ্য উন্নয়ণের স্বার্থে স্যানিটেশন পদ্ধতি ও অন্যান্য সুবিধা সাধারন জনগনের দোড় গোড়ায় পৌছানোর লক্ষ্যে বর্তমান ফরিদপুর জেলার সিভিল সার্জন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফরিদপুরে পূর্বে অনেক সময় গ্রাম থেকে আসা বেশির ভাগ শহরমুখি রোগীকে চিকিৎসাসেবা পেতে হাসপাতালে সংকটে পড়তে হতো, কিন্ত ফরিদপুর সিভিল সার্জন অফিসে বর্তমান এই সিভিল সার্জন ডাঃ মো: ছিদ্দীকুর রহমান গত ২-১-২০২০ ইং তারিখে যোগদানের পর থেকেই প্রতন্ত গ্রাম অঞ্চল থেকে আসা সব গরীব অসহায় রোগীরা সঠিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যেতে পারছে। সিভিল সার্জন অফিস, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কার্যালয়।

ফরিদপুর জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সিভিল সার্জন, ফরিদপুর মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সুস্থ স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষে, স্যানিটেশন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে, এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান এই সিভিল সার্জন। স্বাস্থ্য, পুষ্ঠি ও জনসংখ্যা খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে সবার জন্য সুলভে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে একটি সুস্থ সবল জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার জন্য দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে জনস্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান। সঠিক নেতৃত্ব দানের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে তার নিয়ন্ত্রনাধীন প্রতিষ্ঠান সমূহে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছেন। ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান ফরিদপুর জেলায় সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহন করার পর থেকে বেড়েছে কাজের গতি অসহায়, নির্যাতিত, নিপিড়ীত, বঞ্চিত মানুষের শতভাগ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত হয়েছে বলে এমনটি মনে করছেন সাধারন জনগন।

এক প্রশ্নের জবাবে ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আধুনিক গতিময় জীবনকে আরো গতিশীল করতে একটি সুস্থ সবল জনগোষ্ঠী কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার শতভাগ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিকরনের লক্ষে, নানা ধরনের কর্মসূচি গ্রহন করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে ফরিদপুর জেলায় এই সেবা জনগনের দোড় গোড়ায় খুব সহজে পৌছানোর লক্ষে এবং সর্বস্তরে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, কর্মপরিকল্পনা এবং প্রশাসনিকভাবে বিভিন্ন নীতি কার্যকর করার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। তবে ২০১৩ সালে স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়োগকৃত কিছু কর্মচারি গত ৮-৩-২০২০ ইং তারিখে যোগদান করার পর থেকে জনবলের কিছুটা সংকট কমেছে এবং জনগনকে শতভাগ স্বাস্থ্য সেবা খুব সহজেই প্রদান করতে পারব বলে আমি মনে করি। তিনি বলেন, ফরিদপুর জেলার ৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ীর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

বোয়ালমারী পুরাতন বিল্ডিং ভেঙ্গে নতুন ভবন গড়ে তোলার নির্মান কার্জ চলমান রয়েছে। এ ছাড়াও ডায়রীয়া, শিশু ওয়ার্ড, ও তত্ত¡াবধায়কের অফিসসহ জেনারেল হাসপাতালের মেরামত কাজ করা হয়েছে। করোনা কালীন সময়ে জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন ডাক্তার ও ৫২ জন নার্সের শতভাগ উপস্থিতি রয়েছে, যাতে করে কোন রোগীকে ফেরত যেতে না হয়। এই মহামারীর সময়ে ৪৭৩ জন শিশুর মাঝে শিশু পুষ্টিসহ ঔষধ বিতরন করা হয়। এ ছাড়াও ফরিদপুর জেলার সদরপুর, চরভদ্রাসনও সদর উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় মেডিকেল টিম স্থাপন করা হয়েছে। যা সার্বক্ষনিক সিভিল সার্জন ডাঃ সিদ্দিকুর রহমানের নজরদারীতে থাকে বলে জানা যায়।

আপনার মতামত লিখুন :