আগাম ফুলকপি চাষে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

নীলফামারী প্রতিনিধি:
আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন নীলফামারীর চাষীরা। অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়ায় খুশি তারা। অপরদিকে ক্রেতাদের চাহিদা থাকায় ভালো দামে বিক্রি করেছেন কৃষকরা। এবার জেলায় ছয় হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে শীতকালীন সবজি ফুলকপি। নীলফামারী সদরের লক্ষীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুরী এলাকায় মাঠজুড়ে এখন সবুজ ফুলকপির বাগান। ফুলকপি পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। আগাম ফুলকপি বাজারে তুলতে শেষ সময়ে চলছে চাষীদের তোরঘোড়। এদিকে চাষীরা জানান, ফুলকপি চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। যা বাজারে ফুলকপি বিক্রি হয় ৯০ থেকে এক লাখ টাকা।
ফুলকপি চাষী রিপন রায় বলেন, বিঘা প্রতি জমিতে ফুলকপি ফলে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিচ। এর মধ্যে কিছু নষ্ট হয়ে যায়। তার পরেও ভালো ফলন হয়। এসব ফুলকপি পাইকারি বাজারে কেজি দরে বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। চাষী মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমরা প্রতি বছর আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে থাকি। এই ফুলকপি বাজারে উঠতে সময় লাগে ৫০ থেকে ৫৫ দিন। ফলনও ভালো হয় আর দামও ভালো পাই।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, আগাম জাতের ফুলকপি চাষীদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে আগাম জাতের শীতকাল সবজি ফুলকপি বাজারে এসেছে। ভালো দামও পাচ্ছেন কৃষকরা। আমরা তাদের আগাম জাতের আরও অন্যান্য সবজি চাষে উৎসাহিত করছি। আগাম জাতের সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা পাশাপাশি এসব উৎপাদিত সবজি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ