কলাপাড়ায় বিধবার জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

এস এম আলমগীর হোসেন(কলাপাড়া)ঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মহিপুর ইউনিয়নের ইউসুফপুর গ্রামের বিধবা সাজেদা বেগমের (৬২) আবাদ করা ১৮ শতক জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সে মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। জমির অবস্থান, নিজামপুর মৌজার বিএস খতিয়ান নম্বর-৯৯। যার দাগ নম্বর-৩৭১৬।
জানা গেছে, একই এলাকার অভিযুক্ত হাফেজ আব্দুল বারেক (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে মৃত রাজ্জাক হাওলাদারের স্ত্রী সাজেদা বেগমের জমি নিজের দাবি করে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জমি জোরপূর্বক ভোগদখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা ইউসুফপুর গ্রামের ওই সাজেদা বেগমের আবাদ করা জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে। বাধা দিতে গেলে সাজেদা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী সাজেদা বেগম বলেন, বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে। ঘটনাদিন খুব ভোরে আমার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে। বাধা দিতে গেলে আমাকে খুন করার হুমকি দেয়। তাদের ভয়ে আমি নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছি। তিনি আরও জানান, বিবাদীরা প্রভাবশালী। তাদের বিরুদ্ধে কেউ সহজে কথা বলতে সাহস পায় না। এর আগে জমি দখলের একাধিক চেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
সাজেদা বেগমের ছেলে সোলায়মান হাওলাদার বলেন, অভিযুক্ত হাফেজ আঃ বারেক ওই জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে আগেও মামলাসহ বিভিন্নভাবে আমাদের হয়রানি করেছে। সাজেদা বেগমের ছেলে সোলায়ামান হাওলাদার বলেন, অভিযুক্ত হাফেজ আঃ বারেক ওই জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে পূর্বেও নানা মামলাসহ বিভিন্নভাবে আমাকে হয়রানি করেছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীর নামে মামলা (নং ৩৯৩), আবুল হাওলাদারকে দিয়ে হত্যা মামলা (সি.আর ৭১), চুরির মামলা (নং ১১৫১) এবং ঢাকায় আরেকটি চুরির মামলা (নং ৫৫৪) দিয়েছে। এব্যাপারে হাফেজ আব্দুল বারেক বলেন, তিনি অন্য কারো জমির ধান কাটেননি। নিজের চাষকরা জমির ধান কেটেছেন। এই জমির মালিকানা সংক্রান্ত রোয়েদাদও রয়েছে। আর দিনের বেলা অর্থাৎ আসরের পরে ধান কেটেছেন। ওখানে অভিযোগকারীদের কোন জমি নাই। মহিপুর থানার ওসি জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ