নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাহবুবুল আলম নাঈম পিরোজপুর জেলায় ছাত্র শিবির কর্মী থাকা অবস্থায় চাঁদাবাজি দখলদারিসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত ও ১৮ সালে ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড মিয়ারহাট শাখায় অস্থায়ী ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ব্যবসা বিনিয়োগ প্রকল্পে ( এসবিআইএস) সুপারভাইজার পদে থাকা অবস্থায় ৪০ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়ার নাম করে তাদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীক যাবতীয় কাগজপত্র ও ব্লাঙ্ক স্বাক্ষর নিয়ে গোপনে তাদের নামে ঋণের টাকা উত্তোলন করে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে।এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি মামলা করে ভুক্তভোগীরা। মামলা নং ০৫ তাং ৮/৩/২০১৮ ধারা ৫০৬/৪২০।
পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন সময় অভিযুক্ত মাহবুবুল আলম নাঈমকে এলাকাবাসী গণপিটনি দিয়ে জুতাপেটা করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ঋণের টাকা আত্মসাতে জেল খাটেন দীর্ঘদিন।
বর্তমানে পিরোজপুর জেলার এনসিপির যুগ্ন সমন্বয়কারী পদ বাগিয়ে মাহবুবুল আলম নাঈম নিজ অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে পিরোজপুরবাসী। তাদের ভিতর ক্ষোভ বিরাজ করছে কিভাবে এমন লোক পিরোজপুরে এনসিপির যুগ্ন সমন্বয়কারী বাগিয়ে নিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পিরোজপুর এনসিপির সদস্য জানায়, মাহবুবুল আলম নাঈম যুগ্ন সমন্বয়কারী পদ পাওয়ায় পিরোজপুরে তার বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরাও বিব্রত বোধ করছি বিতর্কিত হচ্ছি। আশা করি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।
অভিযুক্ত মাহবুবুল আলম নাঈম বলেন, ইসলামি ব্যাংকের পিরোজপুরে মিয়ারহাট শাখায় সুপারভাইজার থাকা অবস্থায় টাকা আত্মসাতের মিথ্যা মামলা করা হয় সেটা এখনো চলমান। তাছাড়া আমি ছাত্র শিবিরে থাকা অবস্থায় কোনো চাঁদাবাজি বা দখলদারি করেনি আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
