নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
দূর দক্ষিণের নদীখেকো জনপদ মঠবাড়িয়া, যেখানে কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে এখনো শোনা যায় পাখির ডাকে নতুন দিনের আহŸান। এই জনপদের বুক থেকে উঠে এসেছেন এক স্বপ্নবাজ তরুণ, এক নির্ভীক সৈনিক মনিরুজ্জামান মনির। তিনি শুধুমাত্র একজন রাজনীতিক নন, তিনি মঠবাড়িয়ার মানুষের বিশ্বাস, আশা ও সাহসের প্রতীক। ছোটবেলা থেকেই মনিরুজ্জামান মনির ছিলেন অদম্য মেধা ও মননের ধারক। মঠবাড়িয়া কে এম লতিফ ইনস্টিটিউশনে ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের সভাপতি হন তিনি। ১৯৯৩ ও ১৯৯৫ সালে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মঠবাড়িয়ার একমাত্র ডাবল স্টার প্রাপ্ত ছাত্র হিসেবে কৃতিত্বের মুকুট অর্জন করেন তিনি। তার এই সাফল্যই তাঁর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সূচনা রেখা টেনে দেয়। পরে তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে, যেখানে তিনি অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন গৌরবের সঙ্গে। তিনি ছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রদলের সহসভাপতি (২০০৩-২০০৭) এক সময়ে যেই হলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস লেখা হতো, সেই ইতিহাসেরই এক পৃষ্ঠা তিনি নিজ হাতে লিখেছিলেন। মনিরুজ্জামান মনিরের তীক্ষè রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা ও সংগঠনী দক্ষতা দেখে তাঁকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পলিটিক্যাল উইংয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।এটি ছিল তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর জীবনের এক গৌরবময় অধ্যায়।
মনিরুজ্জামান মনির বিশ্বাস করেন রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে ত্যাগ। বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্তে¡ও তিনি সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। জনগণের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারে তিনি রাজনীতিকেই জীবনের পথ হিসেবে বেছে নেন। তিনি বলেন,আমি জিয়ার সৈনিক, জনগণের সেবক। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আমার জীবনের উদ্দেশ্য। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে আমি রাজপথে জীবন দিতে প্রস্তুত। এমন প্রতিশ্রæতি তার।কাজেই এই এক বাক্যে ফুটে ওঠে তাঁর চরিত্রের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমের গভীরতা। মনিরুজ্জামানের পিতামহ জনাব হাতেম আলী মাতুববর আমৃত্যু হলতা গুলিসাখালী ইউনিয়নের পঞ্চায়েত ছিলেন।
মনিরুজ্জামান মনিরের পরিবার একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। তার আপন চাচাতো ভাই গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম মাহতাব মৎস্যজীবী দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। বড় ভাই আবু মেম্বর যিনি গ্রামের সরকার প্রধান এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধের আগুন থেকে জন্ম নেওয়া এক সাহসী আত্মা। আরেক ভাই তরিকুল ইসলাম মধু, ছিলেন জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহŸায়ক, যিনি রাজনীতির মাটিতে বিশ্বাস আর পরিশ্রমের বীজ বপন করেছিলেন। আপন চাচাতো ভাই জনাব হুমায়ূন কবির হলতা গুলিসাখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। মনিরুজ্জামান মনির সেই উত্তরাধিকার বহন করে আজও রাজপথে হাঁটছেন, হাতে জাতীয়তাবাদী পতাকা আর হৃদয়ে মঠবাড়িয়ার মানুষের ভালোবাসা। তিনি বর্তমানে (ঃযব নরমমবংঃ ঢ়ষধঃভড়ৎস ড়ভ গড়ঃযনধৎরধ)মঠবাড়িয়া কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে এক নিবেদিত তরুণ প্রজন্ম যারা দুর্নীতিমুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব মঠবাড়িয়ার স্বপ্ন দেখে। তিনি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে নিরলস পরিশ্রম করছেন, গ্রামের স্কুলগুলিতে বই বিতরণ থেকে শুরু করে দরিদ্র মেধাবী ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন অক্লান্তভাবে। যে কারনে মঠবাড়িয়ার মানুষ এখন একবাক্যে বলছেন মনির ভাই সংসদে গেলে মঠবাড়িয়ার ভাগ্য বদলাবে।
দেবীপুরের কালাম বলেন,মনির ভাই শুধু রাজনীতি করেন না, তিনি মানুষকে নিয়ে ভাবেন। তাঁর মতো নেতৃত্ব মঠবাড়িয়ার জন্য আশীর্বাদ। সাফার জিয়া মোল্লা বলেন,মনির ভাই ফ্যাসিবাদী সময়ে রাজপথে থেকেছেন, এখনো মানুষের পাশে আছেন। হলতা গুলিসাখালির সালাম হাওলাদার বলেন,তিনি শিক্ষিত, সৎ এবং মঠবাডড়য়ার মানুষের প্রকৃত প্রতিনিধি। তুষখালীর বিসিএস ক্যাডার সবুজ বলেন,মনির ভাই সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে মিশে থাকেন, কারও দুঃখে দূরে থাকেন না। বড়মাছুয়ার ইঞ্জিনিয়ার জাকির যোগ করে বলেন,মনির মানে সততা, মনির মানে মঠবাড়িয়ার আশা। শাপলেজার তুহিন বলেন,মনির ভাই রাজনীতিকে পেশা বানাননি, রাজনীতি তাঁর কাছে এক ধ্যান। তিনি সত্যিকারের জননেতা।
সবকিছু মিলিয়ে মনিরুজ্জামান মনিরের রাজনীতি যেন এক কবিতা যেখানে আছে ত্যাগের ছন্দ, দেশপ্রেমের ভাষা, আর স্বপ্নের রঙ। তিনি চান এমন এক মঠবাড়িয়া,যেখানে শিক্ষা হবে আলো,দুর্নীতি হবে অতীত,আর তরুণেরা গড়বে একটি মানবিক বাংলাদেশ। তাইতো আজ মঠবাডড়য়ার প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি গলি, প্রতিটি হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে একটাই নাম মনিরুজ্জামান মনির। তিনি মঠবাড়িয়ার নয়নের মণি, তরুণ প্রজন্মের প্রেরণা এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের সত্যিকারের সৈনিক। যেকারনে জনগণ আজ একবাক্যে বলছে,আমাদের প্রার্থী, আমাদের গর্ব, আমাদের আশা মনিরুজ্জামান মনির।
- দৈনিক আমাদের কণ্ঠ: জাতীয় সংবাদ, প্রকাশিত সংবাদ, রাজনীতি সংবাদ, শীর্ষ সংবাদ, সংবাদ শিরোনাম