‘মব জাস্টিস’সরকার কোনভাবেই বরদাশত করে না – রিজওয়ানা হাসান

'মব জাস্টিস'সরকার কোনভাবেই বরদাশত করে না - রিজওয়ানা হাসান
'মব জাস্টিস'সরকার কোনভাবেই বরদাশত করে না - রিজওয়ানা হাসান
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

তৌকির আহাম্মেদ,সাভার:

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘মব জাস্টিস’ সরকার কোনভাবেই বরদাশত করে না।

শনিবার (১২ জুলাই) সাভার উপজেলা পরিষদ চত্বরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বেটার ঢাকা ডিসট্রিক্ট ইনিশিয়েটিভ কর্মস‚চির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

ঢাকা জেলা প্রশাসন কর্তৃক বেটার ঢাকা ডিসট্রিক্ট ইনিশিয়েটিভ কর্মস‚চির আওতায় ‘সবুজে বাঁচুক সাভার, নীল আকাশে উড়ুক স্বপ্ন হাজার’ স্লোগানকে সামনে রেখে আজ এক দিনে সাভারে এক লক্ষ বিভিন্ন গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সাভার উপজেলা প্রশাসন।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মব জাস্টিস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘সরকার বারবার তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সেটি হচ্ছে, মব জাস্টিস সরকার কোনভাবেই বরদাশত করে না। এখন যেই ঘটনাগুলো ঘটেছে। সেগুলোর সঙ্গে কোনো সরকার বা সরকারি দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যখনই মব জাস্টিস ঘটছে, অন্তত গত ৩-৪ মাসে আপনারা দেখেছেন, যেখানেই খবর পাচ্ছি সেখানেই আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি এবং কোনো আসামি আর বের হতে পারছে না।’

নদী ও খাল সংস্কার এবং পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের সময়টা তো অল্প। এই অল্প সময়ে আমরা ঢাকা শহরে ২০টা খাল ও তুরাগ নদীটা ধরেছি। এগুলোর জন্য আমরা অর্থও জোগাড় করছি, কাজও শুরু হয়ে গেছে। তুরাগটা হয়তো কাজ শুরু হয়ে যাবে এবং আশা করি বেশি দেরি হলেও ফেব্রুয়ারিতে।’

ঢাকার চারপাশে অবস্থিত অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশনা এবং প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও গত আড়াই বছরে দুই শতাধিক ইটভাটাকে জেলা প্রশাসন কর্তৃক লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ছাড়পত্র প্রদান করা হয়েছে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন উত্থাপন করা হলে তিনি বলেন, ‘যেগুলো অবৈধ ইটভাটা, সেগুলোর বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আড়াই বছরের খতিয়ান আমি দিতে পারব না, আমি ১১ মাসেরটা বলতে পারি। ১১ মাসে সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু করার, তার অনেক বাইরে গিয়ে করেছি।’

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ সময় ট্যানারির দূষণ প্রসঙ্গে  বলেন, ‘এটা অবশ্যই আমার মন্ত্রণালয়ের বিষয়, কিন্তু এটা আসলে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে আইডেন্টিফাই করে দেওয়া হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়কে।

শিল্প মন্ত্রণালয় বিসিকের মাধ্যমে সিইটিপি চালাতে গিয়ে দেখেছে, নানান সংস্থার নানান রকম ক‚টকৌশল এবং অদক্ষতার কারণে এই সিইটিপি কখনও কার্যকর করা হয়নি। সেজন্য এই সিইটিপিটা বিসিকের হাত থেকে পরিচালনা সরিয়ে এনে নতুন করে সিইটিপি করা ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর নেই। বিষয়টি শিল্প মন্ত্রণালয় আপনাদের ভালো ব্যাখ্যা দিতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার পক্ষ থেকে যেটি আমি করতে পারি, সেটি আমি করেছি। সেটি হলো—এই যে কঠিন বর্জ্যগুলো, এই কঠিন বর্জ্যগুলো ব্যবস্থাপনার জন্য ফ্লোরিং করে আবদ্ধ করে যেন রাখা যায় এবং সেখান থেকে ব্যবস্থাপনা করা যায়। এইটুকু আর্থিক সহায়তা আমরা জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়কে দিতে পেরেছি।’

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা ছাড়াও ঢাকা জেলা ও সাভার উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ