জেলা প্রতিনিধি(বরিশাল):
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ছাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়েছে শিক্ষক। এমন অভিযোগ উঠেছে পাতারহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার জুনিয়র মৌলভী শিক্ষক হাসনাইন মৃধার (২৫) বিরুদ্ধে। তিনি সদর ইউনিয়নের রুকন্দি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মৃধার পুত্র। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস শাকুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক পূর্বে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সেটি গ্রহণ করেছে। সন্তানের শিশক্ষকের হাত ধরে উধাও হয়ে যাওয়া ওই স্ত্রীর প্রবাসী স্বামী জিয়াউদ্দিন জানান, স্ত্রী-সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ১৮ বছর বিদেশে শ্রমিকের কাজ করেছি। এখন স্ত্রী উধাও। দুই ছেলেকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছি। বড় ছেলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ে, ছোট ছেলে মাদরাসার ছাত্র।
তিনি আরও বলেন,ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া তার ছেলে জিহাদকে প্রাইভেট পড়াতে এসে শিক্ষক হাসনাইন তার স্ত্রীকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলেন। তিনি দাবি করেন, কুফরি তাবিজের মাধ্যমে আমার স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে সে নিয়ে গেছে। আমার ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। মেহেন্দিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসাইন জানান, প্রবাসীর বড় ছেলে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন, যাতে উল্লেখ করা হয় তার মা বাড়ি থেকে নিখোঁজ রয়েছে।
এদিকে, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষক হাসনাইন মৃধাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত হাসনাইন মৃধার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোন বন্ধ এবং পরিবারের সদস্যরাও বাড়িতে তালা দিয়ে আত্মগোপনে আছেন।