সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ মাদক বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করতে হবে

 

এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভুইয়া

কামরুজ্জামান মিনহাজ, আল আমীন,ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ড. মো: আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া বলেছেন, ময়মনসিংহ তথা বাংলাদেশের মাটিতে কোন জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর যারা তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করে বিপথে চালিত করছে তাদের কেউই বিচারের হাত থেকে রেহাই পাবে না। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে ।

গত শুক্রবার ৫ জুলাই ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় আলাদিন’স পার্ককে দৈনিক আমাদের কন্ঠের আয়োজনে মাদক, সন্ত্রাস , জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষনে উপরোক্ত কথা বলেন তিনি ।

প্রধান অতিথি এডিশনাল ডিআইজি ড. মো: আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া বলেন,মাদক, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ রোধে জনগনকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব রোধ করতে পারলে একটি সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধী, গণহত্যাকারীদের যারা মদদ দেয়, লাখো শহীদের রক্তস্নাত জাতীয় পতাকা যারা তাদের হাতে তুলে দিয়েছিল- বাংলার মাটিতে তাদেরও বিচার হতেই হবে। একটা মানুষকে সর্বনাশের পথের ঠেলে দেয় মাদক।

মাদক শুধু একজন মানুষকে নয় একটা পরিবার কে ধ্বংসের দিকেও ঠেলে দেয়। আর জঙ্গিবাদ নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছে। এটা শুধু বাংলাদেশ নয় এটা বিশ্বব্যাপী একটি সমস্যা। এই সমস্যার উত্সটা কি? আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। ইসলাম ধর্মে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের স্থান নেই। মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না। ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লীরা তরফদারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ফুলবাড়িয়া কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি আ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক সেলিম, ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম, দৈনিক আমাদের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা মিয়াজী সেলিম আহমেদ, ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ তালুকদার ।

অনুষ্ঠান সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন, দৈনিক আমাদের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি মো: খায়রুল আলম রফিক, সাংবাদিক শামীম আহমেদ নিলু,কামরুজ্জামান মিনহাজ,আসাদুজামান তালুকদার,মাজাহারুল হক,লাবলু,এনামুল হক ছোটন সাংবাদিক এনামল হক, আলাদীনস পার্ক ম্যানেজার ফজলুর রহমান ্ও ত্রিশাল আরক শিক্ষাঙ্গন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক এইচ এম হুমায়ুন কবির। অতিথিবৃন্দরা বলেন, বাল্যবিবাহ, মাদক, জঙ্গি নির্মূল এবং শিক্ষিত মানব সম্পদ গঠনে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হলো মায়েরা। এ সময় তারা সরকারের বিভিন্ন সাফল্য এবং কার্যক্রম সম্বন্ধে সকলকে অবহিত করেন এবং উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

অতিথিবৃন্দ বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সাফল্য-উন্নয়ন ভাবনা ও অর্জন নিয়ে উপস্থিতিদের সামনে বক্তব্য তুলে ধরেন। তারা বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে যাতে সকলের অংশ গ্রহন থাকে এবং সবাই এর সুফল ভোগ করতে পারে সেজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।সভাপতির ভাষনে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লীরা তরফদার বলেন, আপনার সন্তান যেন মাদকাসক্ত না হয়ে পড়ে সেজন্য পরিবারের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। পরিবারের সচেতন থাকতে হবে এই বিষয়ে।

তিনি বলেন, পরিবারকে প্রথমে মনে রাখতে হবে এখন মাদকটা পাওয়া যাচ্ছে। এর মানে এই পাওয়া যাচ্ছে কথাটা কিন্তু আবার গুরুত্বপূর্ণ। এর মানে মাদক এখন চারদিকে রয়েছে বা ইয়াবা চারদিকে রয়েছে। সুতরাং চারদিকে যে রয়েছে, এই তথ্য কিন্তু পরিবারের থাকতে হবে। এই নেশাতে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সন্তানের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক রাখতে হবে।

কোন বয়সে মাদকে জড়িয়ে যেতে পারে, সেই বয়সে একটু বেশি সঙ্গ দিতে হবে। মাদক প্রতিরোধটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের প্রত্যেকটি মানুষের দায়িত্ব, এই বিষয়ে সতর্ক থাকা। এটি যে ভয়াবহ এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদকের বিস্তার বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এর অপব্যবহার বন্ধে পরিবার, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। মাদক প্রতিরোধে গণসচেতনতা তৈরির জন্য বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনকেও সোচ্চার হতে হবে। ফুলবাড়িয়া কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি আ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক সেলিম বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দু’টোই ভ্রান্ত পথের শিক্ষায় অন্যায়ভাবে মানুষের জান মালের ক্ষতি করার এক পথ।

ইসলাম শান্তির ধর্ম। সন্ত্রাস, জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার-অবিচার কোনটিই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং এগুলোর মূলোৎপাটন করার জন্য ইসলাম কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অথচ এই জঙ্গিবাদীরা আল্লাহর নামে স্লোগান দিয়ে পবিত্র রমজান মাসে এবং ঈদের নামাজ না পড়ে সেই সময় এই ভয়াবহ হত্যাকা- সংঘটিত করতে দ্বিধাবোধ করেনি।

ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাবোধ থাকতে রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করে এই ঈদের জামাতকে চ্যালেঞ্জ করে এই ধরনের জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ তারা সংঘটিত করত না। উল্লেখ্য, উভয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে কিছু উচ্চশিক্ষিত, সমাজের উচ্চস্তরের কিছু পরিবারের সদস্য রয়েছে। অনেকেরই ধারণা হঠাৎ করে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার কারণে তারা ওই ধরনের অপরাধ করেছে।

অকস্মাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া, জঙ্গি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হওয়া ও তার পরপরই জঙ্গি কাজে লিপ্ত হয়ে তারা ঘটনাটি যেভাবে ঘটালো তাতে করে এদেশের উঠতি যুবসমাজকে দিয়ে জঙ্গিরা যে ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়, তা দ্রুত ও সঠিকভাবে দমন করতে না পারলে যুবশক্তি বিপথগামী হয়ে জাতিকে মহাসংকটের দিকে ঠেলে দেবে।

এ ব্যাপারে শুধু সরকারের ওপর নির্ভরশীল হওয়া বা সরকারকে এককভাবে দায়ী করে লাভ হবে না। রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব। এ ব্যাপারে সব শ্রেণি পেশার মুক্তমনা মানুষ ও রুদ্ধিজীবীসহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। নীরব দর্শক হয়ে শুধু সমালোচনা করে সংকট থেকে নিরাপদ দূরে অবস্থান নিয়ে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা সম্ভব নয়।

এটা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকট। এটা আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনো সাধারণ সংকট নয়। যেখানেই ধর্মীয় উগ্র জঙ্গিবাদ, সেখানেই অরাজকতা, অস্থিতিশীলতা ও অনিয়মতান্ত্রিকতা। বিশেষ অতিথি ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ও ৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময় আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।

স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল- জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা জনগণের সমর্থন ও ভালোবাসা নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে যুগান্তকারী অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

এই উন্নয়ন কর্মকা-কে বাধাগ্রস্ত করতে, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রতিক্রিয়াশীল স্বাধীনতাবিরোধী জঙ্গিবাদী চক্র দেশকে নিয়ে গভীর চক্রান্ত দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে। এই উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র চায় না। এই অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ও দেশকে একটা জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

দৈনিক আমাদের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা মিয়াজী সেলিম আহমেদ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ একটা শান্তি ও সম্প্রীতির দেশ। আমাদের জাতীয়তাবাদ সুসংহত। আমাদের সংবিধানে সকলের মৌলিক অধিকার স্বীকৃত। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও সহজাত সম্প্রীতি আমাদের রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও সাংবিধানিক মূল শক্তি।

একে বিনষ্ট করবার যে কোনো চক্রান্ত জাতিকে কঠোরভাবে মোকাবেলা করতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে। আমাদের সুযোগ্য ও দৃঢ়চেতা নেতৃত্ব রয়েছে। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা ইতোপূর্বেই এটা প্রমাণ করেছেন, তিনি যোগ্য নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। মহল বিশেষ তার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলেও স্বাধীনতার পক্ষের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তির তাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ঐক্যের আহ্বানে সর্বাত্মক সাড়া দিয়ে ঠিক- ১৯৭১- এর মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে আজকের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে সুদৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ তালুকদার বলেন, জঙ্গি দমনে, গ্রাম-গঞ্জে, শহর- বন্দরে দেশের সকল এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকলকে এক প্লাটফর্মে দাঁড় করাতে হবে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ছাত্র, কৃষক শ্রমিক, জনতাসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গি দমনে তৎপর হতে হবে। নিয়মতান্ত্রিকতা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক সততাই হবে আমাদের বর্তমান মহাপ্রতিরোধ আন্দোলনের মূল শক্তি।

বিচ্ছিন্নতাবাদী ও পরস্পরবিরোধী মন- মানসিকতা নিয়ে এই সংকট মোকাবেলা অসম্ভব। সাংবাদিক মো: খায়রুল আলম রফিক বলেন, বাল্যবিবাহ আমাদের দেশে একটি সামাজিক ব্যাধি। বর্তমান আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি বাধা হচ্ছে এই বাল্যবিবাহ। বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে অনেকগুলো কারণ রয়েছে; যেমন-অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, দরিদ্রতা ইত্যাদি। সাধারণত দরিদ্র পরিবার তাদের কন্যাসন্তানকে বোঝা হিসেবে বিবেচনা করে অল্প বয়সে অযোগ্য পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। কারণ বাল্যবিবাহ মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

অল্প বয়সে বিবাহের কারণে অল্প বয়সেই মেয়েরা গর্ভবতী হয়ে যায়, যা তাদের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। এই অবস্থার উত্তরণের জন্য চাই সামাজিক সচেতনতা। কারণ সামাজিকভাবে প্রতিরোধ ছাড়া এটা নির্মূল সম্ভব না। আইন করে হয়তোবা এর হার কিছুটা কমানো যাবে, কিন্তু সমাজ থেকে পুরোপুরি নির্মূল করার জন্য আমাদের গ্রামে-গঞ্জে, পাড়ায়-মহল্লায়, শহরে প্রতিরোধ গড়তে হবে সামাজিকভাবে।

এর জন্য তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ তরুণ সমাজ যেখানে এগিয়ে আসে সেটার সফলতা নিশ্চিত থাকে। তাই তরুণ সমাজকে দায়িত্ব নিয়ে তাদের প্রত্যেকের জেলায় এই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

তাদেরকে নিজ জেলায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় গিয়ে সেখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে সভা বা সেমিনার করতে হবে। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে এলাকায় মাইকিং করতে হবে, বিলিপত্র দিতে হবে, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে এলাকাবাসীকে সচেতন করতে হবে। তাহলেই কেবল এই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন :