হাসপাতালে লাশ রেখে পালাল স্বামী ও তার পরিবার বাগেরহাটে গৃহবধূকে শ্বাস রোধ করে হত্যার অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় সেতু রানী কর্মকার (২৪) নামের এক গৃহবধুকে শ্বাস রোধ করে হত্যার অভিযোগ করেছে পরিবার। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার গজালিয়া বাজার সংলগ্ন স্বামীর বাড়িতে তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়। নিহত সেতু কর্মকারের সেবা কর্মকার নামে (১) বছরের মেয়ে রয়েছে।

নিহত সেতু রানী কর্মকার পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার চরকগাছিয়া গ্রামের সুজন কুমার কর্মকারের মেয়ে এবং গজালিয়া গ্রামের বাপ্পি কর্মকারের স্ত্রী। নিহত সেতুর মামা মৃণাল কান্তি হাওলাদার বলেন, বুধবার সকালে সেতুর দেবর জয় কর্মকার সেতুকে মৃত অবস্থায় বাগেরহাট সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। পরে আমাকে ফোন করে। আমরা হাসপাতালে এসে সেতুকে মৃত পাই।

ধারণা করছি সেতুকে তার শশুর বাড়ির লোকজন হত্যা করে হাসপাতালে রেখে গেছে। তার গলায় হাতের ছাপ রয়েছে। নিহত সেতুর ভাই সবুজ কুমার কর্মকার বলেন, তিন বছর পূর্বে বাপ্পি কর্মকারের সাথে আমার বোনের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে বাপ্পি আমার বোনকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত। এর প্রেক্ষিতে বাপ্পিকে কিছু টাকাও দিয়েছি আমরা।

কিন্তু শেষ রক্ষা হল না, মঙ্গলবার রাতে বাপ্পি আমার বোনকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। আমরা এ হত্যার সঠিক বিচার চাই।বাগেরহাট মডেল থানার এসআই ফজলুল কবির বলেন, এ ঘটনায় বাগেরহাট মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে হত্যার আলামত পেলে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :