কলাপাড়ায় ডাকাতি: মালামাল লুট

কলাপাড়া প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত সেই অধ্যক্ষ কালিম উল্লাহ’র বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে দায়রকৃত চাঁদাবাজি মামলার বাদীর বাড়ী এবার দুর্ধর্ষ ডাকাতি করে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে ৭/৮ জনের একদল মুখোশধারী গ্রুপ।

শনিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার মহিপুর থানাধীন বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত হাজী আবদুস সালাম উদ্দীন (৭০) কে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রবিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুর রহমান, মহিপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো: মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আহত হাজী আবদুস সালাম ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৭/৮ জনের মুখোশধারী একটি গ্রুপ সিঁধ কেটে তার ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে।

এরপর বৈদ্যুতিক আলো জ্বালিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় হাজী আবদুস সালাম’র হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। একজন তার গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা-পয়সা ও স্বর্নালঙ্কার বের করে দিতে বলে। এতে তিনি রাজী না হলে তার ডান পায়ের হাঁটুর নীচে এবং বাম পায়ের হাঁটুর নীচে উপর্যুপরি কুপিয়ে মারাত্মক কাটা জখম করে। এরপর মুখোশধারীরা তার স্ত্রীকে মারধর করে ষ্টীল আলমিরা ও কেবিনেট ভেঙ্গে নগদ ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা, একটি মোবাইল সেট ও স্ত্রীর কানে পরিহিত স্বর্নালঙ্কার নিয়ে যায়।

ঘটনার পর পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করে এবং মহিপুর থানা পুলিশকে অবগত করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। মহিপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো: মাহবুবুর রহমান জানান, ’উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা সহ আমরা ঘটনাস্থলে আছি। বিষয়টি গুরুত¦ সহকারে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আমরা এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

’পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ’ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ভিকটিম পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে প্রাথমিক ভাবে এটি ডাকাতির ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। আইনী পদক্ষেপ গ্রহনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’

আপনার মতামত লিখুন :