কুমিল্লা পিটিআই সুপানেটেডেন্ট কর্তৃক তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ

মোহাম্মদ শাহ্ আলম শফি,কুমিল্লা
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার আরিফুল ইসলাম ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ ইবনে হোসাইন এর বিরুদ্ধে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক তদন্তের নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তা যথাযতভাবে দতন্ত করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ থেকে জানা যায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার বর্তমানে ফিরোজপুর সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার চলতি দায়ীত্বে কর্মরত আছেন।

বরুড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রোটাঃ কামাল হোসেন, সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ে বরুড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় কুমিল্লা পিটিআই সুপারিনটেডেন্ট মোঃ হারুনুর রশিদ ভূঁইয়াকে তদন্তের দায়ীত্ব প্রদান করা হলে তিনি গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং সকাল ১০ টায় তদন্তের জন্য অভিযুক্তদেরকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে স্বাক্ষী প্রমাণ সহ হাজির থাকতে নোটিশ প্রদান করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা ঐ দিন প্রায় ২টা পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসে অবস্থান করে নামাজ ও খাওয়া-দাওয়ার কথা বলে উপজেলা থেকে ইউআরসিতে (উপজেলা রিসোর্স সেন্টার) চলে যান তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসে ফিরে না এসে অভিযুক্তদের সামনে অভিযোগ কারীদেরকে উপস্থিত না রেখে সুকৌশলে অভিযোগকারি সহ কয়েকজন শিক্ষককে ইউআরসিতে ডেকে নিয়ে লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করে তদন্ত কাজ সমাপ্ত করেন। অপরদিকে অভিযুক্তদের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করে সৃজিত মিথ্যা বানোয়াট স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

ফলে অভিযুক্তগণ পক্ষপাত মূলক তদন্তের প্রতিকার চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবরে।্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্একইদিন আরিফুল ইসলাম, তার পরদিন ২৫ শে সেপ্টাম্বর মোঃ মাসুদ ইবনে হোসাইন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ে সচিব বরাবরে পূর্ণ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ ইবনে হোসাইন বলেন অভিযোগকারী ও অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা , আর জানা না থাকলে আত্মপক্ষ সমর্থনে স্বাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা দূরাহঃ ব্যাপার।

আমি ২৪ তারিখ উপজেলা শিক্ষা অফিসে ছিলাম , কুমিল্লা পিটিআই সুপারিনটেডেন্ট মহোদয় মোঃ হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া স্যার এর সাথে কথা হয়েছে,স্যার দুইটার দিকে আমাদের অফিস থেকে নামাজ ও খাওয়া কথা বলে চলে যান। তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া জানায় উভয় পক্ষকে পৃথক পৃথক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত করেছি, গোপনীয়তার রক্ষার্থে পৃথক পৃথক ভাবে ডাকা হয়েছিল তবে মোঃ আরিফুল ইসলাম তদন্তে উপস্থিত ছিলেন না । পুনরায় তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য গত রবিবারে তাকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তিনি আসেননি।

আপনার মতামত লিখুন :