সোহরাওয়ার্দী (বাকেরগঞ্জ থেকে):
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম গারুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য। এছাড়াও তিনি গারুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তার চাচা শামসুল আলম চুন্নু বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি। গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইউনিয়ন পরিষদের বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা,ভিজিএফ কার্ড,ভিজিডি কার্ড বিতরণে এবং নানা উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে ।
জানা যায়, গত সরকারের সময়ে রফিক মেম্বার ছিলেন এলাকার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ও ক্ষমতাশালী বিতর্কিত ব্যক্তি। সা¤প্রতিক সময়ে তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওমান প্রবাসী এক নারীর নাম ভিডাবি¬উডি ভিজিজিডি কার্ডের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে ।
একাধিক বিশ^স্ত সুত্রে জানাগেছে যে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের জিনিয়া গ্রামের নুর ইসলাম হাওলাদার এর মেঝ মেয়ে মিনারা বেগম গত ৪ বছর যাবৎ ওমানে থাকে। নুর ইসলাম হাওলাদার এর অগাধ সম্পত্তি থাকা সত্তে¡ও স্থানীয় ৪ নং ওয়ার্ড জিনিয়া খয়রাবাদ এলাকার ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম সিকদারকে দশ হাজার টাকা দিয়ে সরকার কর্তৃক অসহায় দুঃস্থ পরিবারের জন্য ভিডাবি¬উডি ভিজিডি এর আওতায় ২ বছর মেয়াদি ৩০ কেজি চালের অনুদানের জন্য ইউপি সদস্যের নিকট কাগজপত্র জমা দিয়ে আসে। ৮৮ নম্বর তালিকায় তার নাম রাখা হয়েছে। এই কার্ড অসহায় দুঃস্থ পরিবারের জন্য। কিন্তু তাদের মতো স্বচ্ছল পরিবার কিভাবে এই কার্ড পেতে পারে। এ নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই ইউপি সদস্য জানান, উক্ত মিনারা বেগম ওমান থাকে তবে তার সন্তানেরা গ্রামে বসবাস করে এজন্য তার নাম তালিকাভুক্ত করা হয়। তবে এই নাম শুধু অনলাইনে প্রস্তাব করা হয়েছে এখনো চ‚ড়ান্ত হয়নি, সমস্যা হলে অবশ্যই নাম ভিজিডি কার্ডের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে। #