ব্রীজ উন্নয়ন গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে রাজাপুর উপজেলা বাসীর‌

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

রাজাপুর(ঝালকাঠি)প্রতিনিধি ঃ
ঝালকাঠির রাজাপুরে ব্রীজের উন্নয়ন এখন গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে উপজেলা বাসীর। ব্রীজ নির্মাণের পরে জনভোগান্তি দূর হওয়ার কথা থাকলেও উল্টো সেখানে দুর্ভোগ বেড়েছে। ব্রীজ নির্মানের সময় খালের মধ্য খানে শক্তপোক্ত বাঁধ নির্মাণ করা হয়। ব্রীজের কাজ শেষ হওয়ার পরে তা পুরোপুরি অপসারণ না করায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে স্থানীয়রা। সৃষ্টি হয়েছে জলবদ্ধতা,পানি না পেয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।
উপজেলা সদরের বাজার সংলগ্ন খালে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ব্রীজ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৩ বছর আগে। ব্রীজ নির্মাণের সুবিধার্থে খালের মধ্যের দু পাশে গাছের পাইলিং পুতে বালু ভরাট করে নির্মাণ করা হয় শক্তিশালী বাঁধ। যে বাঁধ নির্মাণ ও অপসারণের জন্য বরাদ্ধ ছিলো মোটা অংকের টাকা। ব্রীজ নির্মাণের শেষে প্রায় ৩ বছর আগে তা হস্তান্তর করা হলেও এখন পর্যন্ত অপসারণ করা হয়নি বাঁধ ও পুরনো লোহার বীব। স্থানীয়রা মিলে বাধেঁর কিছু অংশ অপসারণ করলেও এখনো অনেক অংশই রয়ে গেছে। যে কারনে ইতিমধ্যেই খালের অনেক অংশ ভরাট হয়ে গেছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজের পাশেই বসে বাজার। খালের মধ্যে পাইলিং এর গাছ পুরনো ব্রীজের লোহার বীম থাকায় এখানে থেকে কোনো নৌযান চলাচল করতে পারেনা। ইঞ্জিন চালিতো কোনো নৌযানে বাজারে মালামাল নিয়ে আসলেই পড়ে দূর্ঘটনার কবলে। জনগুরুর্তপূর্ণ এই খালের পানির উপড় নির্ভরশীল কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি। পর্যাপ্ত পরিমানে পানি না পেয়ে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কাজ,শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।
এটি ছাড়াও দক্ষিণ বাজার ও টিএন্ডটি সড়কে সেতু নির্মাণের পরে জনভোগান্তি দূর হওয়ার কথা থাকলেও উল্টো সেখানে দুর্ভোগ বেড়েছে। এসব খালের ওপর ব্রীজ নির্মাণ ও খাল খনন কাজ শেষ হলেও এর কোনো সুফল পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। কালভার্ট নির্মাণের সময় দেওয়া মাটির বাঁধ পুরোপুরি অপসারণ না করা এবং খালের একটি অংশে খনন কাজ বন্ধ থাকায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে। প্রায় চার মাস আগে বাইপাস সংলগ্ন টি এন্ড টি সড়কের কালভার্ট নির্মাণ কাজ শেষ হয়। নির্মাণের সুবিধার্থে খালের মাঝখানে মাটির একটি শক্তিশালী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী কাজ শেষে বাঁধটি পুরোপুরি অপসারণ করার কথা থাকলেও, নামমাত্র কিছু মাটি সরিয়ে বাকি অংশ আগের মতোই ফেলে রাখা হয়েছে। দ্রæততম সময়ের মধ্যে খালের মধ্যে দেয়া বাঁধ অপসারণ এবং খালের অখননকৃত অংশ খনন করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে এলজিইডির রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার জানায়, আমরা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদেরকে বাঁধ অপসারণ করার জন্য বলেছি। বাজারের ব্রীজের ঠিকাদার পলাতক রয়েছে। তার সকল কাগজপত্র ও বিলের কিছু অংশ আমাদের কাছে রয়েছে। দ্রæত সময়ের মধ্যে খাল থেকে বাঁধগুলো অপসারণ করা হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন