মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই জড়িয়ে পড়ছেন মাদক ব্যবসায়!

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রচলিত আছে সর্ষেই ভুত ! অর্থাৎ যে সরিষা দিয়ে ভুত তাড়ানো হয় সে সরিষার ভেতরেই যদি ভুত থাকে তবে সরিষা দিয়ে ভুত সারাবে কি করে। অথবা এটাকে কেউ কেউ আবার এমন ভাবেও বলে থাকেন যে, ঘরের ইদুঁরে যদি বেড়া কাটে তবে বেড়া রক্ষা করা যেমন কঠিন তেমনি আবার বেড়ায় যদি খেত খায় তবে খেত রক্ষা করাও দুরহ ব্যাপার হয়ে দেখা দেয়। তেমনি অভিযোগ রয়েছে খোদ মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের বিরুদ্ধেও। অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরার।
জানা যায়, সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীদের ওপর নজরদারি চালাতে ২০২১ সালে এনটিএমসিতে প্রবেশাধিকার পায় নারকোটিক্স। ওই সময় নারকোটিক্স কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ফোনে আড়ি পেতে মাদক কারবারি চিহ্নিত করতে। এতে বলা হয়েছিল তারা ম‚লত সন্দেহভাজনদের ফোনালাপ শোনা (ট্রিগারিং), অবস্থান জানা এবং সিডিআরসহ টেলিযোগাযোগসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেন। প্রাপ্ত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এনটিএমসির নারকোটিক্স ডেস্কে পাঠানো হয়। এরপর এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো।অথচ আড়িপাতার তথ্য কাজে লাগিয়ে উলটো মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন তারা। এখানেই শেষ নয়, প্রাইজ পোস্টিং আর পদোন্নতির লোভে মাদক চোরাচালানের তথ্যের বিনিময়ে ‘সোর্স মানি’ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এভাবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসে মোটা অঙ্কের সোর্স মানি হাতিয়ে নিচ্ছেন নারকোটিক্সের কতিপয় প্রভাবশালী কর্মকর্তারা। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) ফোনকল ইন্টারসেপশন বা আড়িপাতা কার্যক্রমের অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও তথ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন