নিজস্ব প্রতিবেদক
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ। যিনি পতিত আওয়ামী আমলেও ভোগ করেছেন যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা। কিন্তু ২৪’শের ৫আগস্টের পর মুখোশ পাল্টিয়ে নিজেকে সাধু সন্ন্যাসী বানানোর চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি এক পর্যায়ে জোর লবিং এর মাধ্যমে বাগিয়ে নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের লোভনীয় পদ। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রতিটি অলিগলি মাদকে সয়লাভ হয়ে যায়। যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর আগ পর্যন্ত এমন নজির বিহীন মাদক দেশ কখনো দেখেনি। তার অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতায় মাদকাসক্ত হয়ে আমাদের প্রজন্ম প্রায় হুমকির মুখে। দায়িত্ব গ্রহণের পর বদলি বাণিজ্য করে কামিয়াছেন কোটি কোটি টাকা। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার দোসরদেরকে দিয়েছেন বেপরোয়া সুযোগ সুবিধা। যার মধ্যে অন্যতম রাজিব মিনা যিনি ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার আমলে ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক এর দায়িত্বে ছিলেন একাধারে ডিএমপি কমিশনার ছাত্র জনতার উপর বর্ববর হামলাকারী গোপালগঞ্জের কসাইখ্যাত খুনি হাবিবের আত্মীয় পরিচয়ে এই রাজিব মিনা নিয়ন্ত্রণ করতেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ। হাসান মারুফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে দায়িত্ব নিয়েই রাজিব মিনাকে চট্টগ্রাম মেট্রো দায়িত্ব অর্পণ করেন। সেখান থেকে আবার সরাসরি উপ-পরিচালক প্রশাসন হিসেবে প্রধান কার্যালয়ে নিয়োগ প্রদান করেন যা নিঃসন্দেহে নিন্দনীয় ও ঘৃণার। একই সাথে ছাত্র জনতার সাথে প্রতারণা শামিল। মহাপরিচালক হাসান মারুফ কারি কারি অবৈধ অর্থ অর্জনে ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক একেএম শওকত ইসলামকেও তার সিন্ডিকেটের একজন বিশ্বস্ত সহযোগী করেছেন। হাসান মারুফ একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন ফ্যাসিস্টদের নিয়ে। তিনি দায়িত্ব গ্রহনেরপর ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদি হত্যার খুনি ফয়সাল করিমের মাদক বিরোধী জনসচেতনামূলক অনুষ্ঠানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পেইজে পাবলিস্ট করে বিতর্কে জন্মদেন। অবশেষে ইনকিলাব মঞ্চের চাপের মুখে অনুষ্ঠানটি উঠিয়ে নিতে বাধ্য হন এই মহা দুর্নীতিবাজ মহাপরিচালক হাসান মারুফ সিন্ডিকেট। মোবাইলে আড়ি পেতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খোদ কর্মকর্তারায় মাদকের ব্যবসায় জড়িয়েছেন, জড়িয়েছেন চাঁদাবাজিতেও। একাধিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন মাদক নিয়ে এ নিয়ে ১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উল্লেখিত সংবাদে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। হাসান মারুফ সিন্ডিকেট এতই বেপরোয়া মাদকে বাংলাদেশের প্রতিটি অলি,গলি, গ্রাম,গঞ্জ, শহর, নগর, বন্দর, পাড়া, মহল্লা ধ্বংসলীলায় পরিণত হলেও তাদের শেল্টারে চলছে ঢাকার শহরে প্রায় অর্ধশতাধিক মরণ নেশা সিসা বার। ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশের বার গুলোতে অবাধে বিরামহীন বাধাবিহীন যাতায়াত করছে উঠতি বয়সী কিশোর গাংয়ের তরুণ কিশোরেরা। এই সিন্ডিকেটকে মোটা অংকের অর্থের মাধ্যমে ম্যানেজ করে খোদ ঢাকা শহরে বার গুলোতে চলছে ডিস্কোর নিত্য লীলা। এই সিন্ডিকেটের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন আমরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন ছাড়া কিছুই করার নাই। এই সিন্ডিকেটের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন অভিযোগের অন্ত নেই। এব্যাপারে দৈনিক আমাদেরকণ্ঠ টিম তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে সময় দিতে অপরাগতা স্বীকার করে। আসছে আরো বিস্তারিত চোখ রাখুন আমাদের কণ্ঠে…।
- দৈনিক আমাদের কণ্ঠ: অপরাধ সংবাদ, জাতীয় সংবাদ, প্রকাশিত সংবাদ, প্রশাসনিক সংবাদ, শীর্ষ সংবাদ, সংবাদ শিরোনাম