৫ আগষ্ট : বিভীষিকাময় স্মৃতি বিজরিত একদিন

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

মো.ইউসুফ আলী:

৫ আগস্ট এদেশে গণআকাঙক্ষার বিজয়ের দিন। টানা ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার দর্প চূর্ণ হওয়ার দিন । যা ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত অনেকের কল্পনায়ও স্থান পায়নি। যখন গুলি-গ্রেনেড-হামলা-মামলার মুখে বিরোধী দলের একের পর এক আন্দোলনের ব্যর্থতায় একটা সময় দেশের মানুষ মনে করতে শুরু করে যে এই জগদ্দল পাথরকে বাংলার জমিন থেকে সরানো যাবে না। ঠিক তখনই সেই ধারণার মূলে কুঠারাঘাত করে এ দেশের একঝাক তারুণ্য শক্তি। রাজপথে তাদের দৃঢ়তা ফ্যাসিবাদী শক্তির মূল উৎপাটন করে দিয়েছে। যার ফলে মুক্ত পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ।

বৈষম্য বিরোধি ছাত্র আনোদালনের চুড়ান্ত বিজয়ের একদিন আগের কথা। সেদিন ছিল ৪ আগস্ট রবিবার। দেশজুড়ে রাস্তায় রাস্তায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করেন। তাঁদের কারও কারও হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র,অনেকের হাতে ছিল দেশীয় অস্ত্র। ওই দিন সংঘর্ষে নিহত হন অন্তত ১১৪ জন মানুষ। এদিন বৈষম্য বিরোধি ছাত্ররা আল্টিমেটাম দেয় সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের। সাথে সাথে পাল্টে যেতে থাকে চুড়ান্ত আন্দোলনের রূপরেখাও। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদানসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি কঠোর হুসিয়ারী উচ্চারন করে বক্তব্য রাখেন তৎকালিন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সাথে গর্জে ওঠেন আওয়ামী লীগের তৎকালিন সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ আরো বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এমপি।

রাজধানীতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আওয়ামী লীগের তৎকালিন সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। আওয়ামী লীগ ধৈর্যের শেষ সীমা পর্যন্তপৌঁছে গেছে। সব হত্যা-সহিংসতার দায় আন্দোলনকারী নেতৃত্বকেই নিতে হবে। ওই দিন বিকেল পৌনে ৫টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সেদিন গর্জে ওঠেছিল সরকারের পেটুয়া বাহিনীর সদস্যরাও।

দেশজুড়ে নাশকতাকারী ও পুলিশ হত্যাকান্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারন করেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এর তৎকালিন কমিশনার হাবিবুর রহমান। সারাদেশে জারি করা কারফিউ মেনে চলার আহŸান জানিয়ে তিনি বলেন, এ সময় অপ্রয়োজনে কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে এ হুঁশিয়ারি দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন,আমাদের ব্যবস্থা নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, অগ্নিসংযোগকারী ও পুলিশ হত্যাকারীর বিরুদ্ধে। তাদেরকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

অপরদিকে ‘ছাড়তে হবে ক্ষমতা ঢাকায় আসো জনতা’ এ ¯েø¬াগানে সারাদেশের ছাত্র-জনতাকে দেশের সব এলাকায়, পাড়ায়-মহল্লায়, গ্রামে, উপজেলা, জেলায় ছাত্রদের নেতৃত্বে ‘সংগ্রাম কমিটি’ গঠনের আহŸান জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সরকার পতনের এক দফা দাবিতে পরবর্তী দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলেও পরিস্থিতি আচ করতে পেরে বিকেলে একদিন এগিয়ে অর্থাৎ পূর্ব ঘোষিত ৬ আগষ্টের পরিবর্তে পরের দিন ৫আগষ্ট সোমবার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্য বিরোধি ছাত্র আন্দোলন। এসময় এক বিবৃতিতে আন্দোলকারি শিক্ষার্থীদের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যদি ইন্টারনেট ক্র্যাকডাউন হয়, আমাদেরকে গুম, গ্রেফতার, খুনও করা হয়, যদি ঘোষণা করার কেউ নাও থাকে একদফা দাবিতে সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত সবাই রাজপথ দখলে রেখে শান্তিপূর্ণভাবে অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহবান জানান। সেদিনের দিনের আলো নিভে গিয়েছিল অনেকটা উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায়। দিনের শেষে রাত যতটা গভীর হচ্ছিল দেশবাসীর মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা যেন ততটাই বাড়ছিল। একদিকে কারফিউ আবার ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায়ও ছিল সরকারি হস্তক্ষেপ।

সুতরাং পরের দিন ৫ আগষ্ট সোমবার বাংলাদেশে আমার মত আরো অনেকেরই ভোর হয়েছিল অনেকটা উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে। চরম বিভিষিকাময় সেদিনের সকালটা ছিল মেঘলা, রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। ঘুম থেকে জেগে ওঠা সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝেই যেন বিরাজ করছিল এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। সেদিন কাকডাকা ভোরে ঢাকার রাস্তায় নেমে পরেছিল অনেকেই। তাদের সকলেরই চোখে-মুখে ছিল হতাশা আর কপালে ছিল চিন্তার ভাজ। আরো অনেকের কথা না হয় বাদই দিলাম, প্রতিদিন সকালে রাজধানীর রমনায় প্রাত:ভ্রমনে যাওয়ার অভ্যাস আমার। সেই ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত রমনায় যাওয়া হয় আমার। সেখানে উজ্জীবন বাংলাদেশ রমনা পার্ক নামক একটি সংগঠনের হয়ে নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস আমোদের আরো অনেকেরই। প্রায় দুই শতাধিক নিয়মিত সদস্য রয়েছে এ সংগঠনটির। রাজধানীর শহরতলী কেরাণীগঞ্জ থেকে কেবল আমি একা নই। আমার আরো অনেক বন্ধুরাও ব্যায়ম করতে যান,আমাদের এ সংগঠনে। বৈষম্য বিরোধি ছাত্র আন্দেলনে বেশ কয়েক দিনের টানা সংিসতার কারনে কারফিউ জারি করে সরকার। যে কারনে বেশ কয়েকদিন যাবত যাওয়া হচ্ছিলনা রমনা পার্কে। তবে এ কয়েকদিন যাবত কেরাণীগঞ্জে বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ তীরের বেরিবাধেঁ সকালের হাটাহাটিটা কিছুটা হলেও পোষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতাম।

আমার সাথে প্রতিনিয়তই প্রাত:ভ্রমণে সংশ নিতেন আমার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠজন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের আগানগর ইউপির টানা চার বারের ইউপি সদস্য মো.শাহিন। আগানগর ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন তিনি। সেদিনও ফজরের নামাজ শেষে বুড়িগঙ্গার তীরে হাটতে গিয়ে কিছু দৃশ্য কেন যেন আমার মনে দাগ টেনেছিল একাধিক প্রশ্নের। কারন সেদিন কাক ডাকা ভোর থেকেই আমরা দেখতে পেয়েছিলাম শত শত মানুষ পায়ে হেটে রাজধানী ছেড়ে যাচ্ছিল দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুর ওপর দিয়ে। বিষয়টি আমার ও সঙ্গীয় শাহিন মেম্বারকে ভাবিয়ে তুলেছিল। এই কাকডাকা ভোরে হঠাৎ এভাবে এত মানুষের রাজধানী ত্যাগ নিয়ে আমরা দুজনেই চিন্তিত হয়ে পড়লাম। দু’একজনের সাথে কথা বলার জন্য আমি আগ্রহ নিয়ে কদমতলির দিকে যেতে চাইলেও শাহিন মেম্বারের জন্য তা আর হয়ে ওঠেনি। আমাদের দু’জনেরই মনে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছিল। রাতে ঢাকায় না জানি কি হয়েছে। না জানি কোন রাষ্ট্রীয় ম্যাচাকার! এমনসব শংকা। নদী তীরবর্তী অনেকে বলাবলিও করছিল এমনসব কথা। যা-ই হোক হাটা শেষে বাসায় ফিরে কম্পিউটার ওপেনকরে ফেইজবুকের পাতায় চোখ রাখতেই চোখে ভেসে উঠলো নির্মাতা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকির পোষ্টকরা একটি ষ্ট্যাসের দিকে। তার পোষ্টকরা ষ্ট্যাটাসটিও ছিল আমাদের চিন্তা চেতনার হুবহুরূপ। যেখানে তিনি লিখেছিলেন একটা দু:স্বপ্নের রাত কাটালাম।এমনি আরো কিছু শংকার কথাও ছিল তার ওই ষ্ট্যাটাসে। তার এ ধরনের ষ্ট্যাটাস দেখে আমার মনে আরো বেশী ভীতির সঞ্চার হল।

সব মিলিয়ে নানা উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় কাটতে লাগলো ৫আগষ্টের সকালটা। আশপাশের সুনসান পরিবেশ আর মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। দিনের শুরুটাই যেন অন্যসব দিনের তুলনায় অনেকটা আলাদা মনে হচ্ছিল। যা-ই হোক সময়তো আর বসে থাকেনা আস্তে আস্তে দেয়ালে টানানো ঘড়িরকাটা দিনের সময়টা এগিয়ে নিয়ে আসতে ছিল। দেশবাসী সবাই আতঙ্কিত। এরই মাঝে ঢাকায় একপসলা বৃষ্টি। তখন অনেকেই ভাবছিল ছাত্র আন্দোলনের এদফার আলো বুঝি এ বৃষ্টিতেই নিভে গেল। কিন্তু না তা মোটেই নয়। বরং বৃষ্টি শেষে আকাশ যেমন পরিস্কার আর স্বচ্ছ হয়ে দেখা দেয় সেদিনের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের রূপটাও যেন আস্তে আস্তে ঝলক মেরে ঝলমলিয়ে উঠতে ছিল।

রেডিও- টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের আপডেটসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর সবার। কিন্তু বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিস সংযোগ বন্ধ থাকায় সার্বিক খবরাখবর জানতে আমাকে এসে দাড়াতে হয়েছে রাস্তায়। বাসার কাছেই বন্ধু শাহরিয়ার সুমনের ঔষধের দোকান শুভ ফার্মেসীতে এসে টেলিভিশনে চোখ রাখার খানিকটা প্রয়াস। কিন্তু সেখানেও উপচেপরা জনতার ভীর। কি জানি কি হতে যাচ্ছে আজ। সবার চোখে-মুখেই যেন এমন এক উৎকণ্ঠা। এরই মধ্যে বেলা ১০টার পর থেকে টেলিভিশনের স্কলে ভেসে আসতে থাকলো যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, শহীদ মিনার, বাড্ডা, মিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের জমায়েতের খবর। এরই মাঝে কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও শুরু হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। তখনই মানুষ বুঝে যায়, দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে। মানুষ একে একে ঘর থেকে বের হতে শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তখন কোন রাস্তায় মানুষকে আর বাধা দেয়নি। বেলা আড়াইটায় শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার খবরের পর লাখো মানুষের মিছিল, শ্লোগানে মুখর হয় ঢাকা। এ যেন শ্রাবণ মাসে ‘বসন্ত’।

এই বসন্ত মানুষের মুক্তির, এই বসন্ত নতুন বাংলাদেশের। বিকেল চারটার দিকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতীর উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষনে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের কোটা সংস্কারের জন্য যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের মাধ্যমে তার অবসান ঘটে। একই সাথে অবসান ঘটে আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনের। অর্জিত হয় ছাত্র-জনতার কাঙ্খিত বিজয়। জুলাই বিপ্লব আরও কিছু কারণে স্মরণকালের ইতিহাসে অনন্য। ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। সাঈদ অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বুলেটের সামনে নিজের বুক যেভাবে বিছিয়ে দিয়েছেন এটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশে শুধু গল্পেই মানায়। সেদিন গুলি লাগার মুহূর্তে রাজপথে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের ছবি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে মানুষ শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসেন।

এই আন্দোলনই রূপ নেয় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে।আন্দোলনরত তরুণদের তৃষ্ণা নিবারণে মুগ্ধর ‘পানি লাগবে পানি’ এই ডাক এখনও কানে বাজে। আন্দোলনকারীদের তৃষ্ণা নিবারণ করায় হাসিনার পেটুয়া বাহিনী সড়কের ফেলে মুগ্ধকে যেভাবে খুন করল তাকে কি বুঝতে অসুবিধা হয় যে, তাদের রক্তের নেশা পেয়ে বসেছিল। সাঈদ-মুগ্ধর মতো দেড় হাজার তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে হাসিনার পোষা লেলিয়ে দেওয়া বাহিনী। চব্বিশের বিপ্লবে বাবা-মা তাদের সন্তানদের ঘরে বেধে রাখতে পারেননি। তারা ছুটে এসেছেন রাজপথে। সন্তানদের পথ ধরে বাবা-মাও এসেছেন রাজপথে। ঢাকার সড়কে এক বাবা তো ঘুরে ঘুরে বলেই বেড়াচ্ছিলেন যে-আমার সন্তান এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে, আপনার সন্তানদেরকেও পাঠান। তুমুল আন্দোলনের মুখে এক সন্তানকে হাতকড়া বেঁধে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল আইনশৃংখলা বাহিনী। তখন মা সন্তানকে সাহস দিয়ে বলছিলেন-যাও ভয় পেও না। সরকারের পতনের এমনসব স্মৃতিগুলো এখনও হৃদয়ে নাড়া দেয়।
লেখক: সাংবাদিক ও কলাম লেখক।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন