গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে “গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাটি আয়োজন করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)” প্রকল্পের কারিগরি সহযোগিতায়।
সভায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ কামারুজ্জামান বলেন, গ্রাম আদালতের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচারে অংশ নিতে হবে। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে—এই তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। ছোটখাটো বিরোধ নিয়ে জনগণ যেন থানায় বা কোর্টে না গিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পায়, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার উপপরিচালক বিশ্বজিত কুমার পাল। তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সভা, উঠান বৈঠক, অভিভাবক সভা ও ধর্মীয় আলোচনায় গ্রাম আদালতের সুফল তুলে ধরতে হবে। বিশেষ করে নতুন গ্রাম আদালত আইন ২০২৪ অনুযায়ী নারীরা এখন বকেয়া ভরণপোষণ মামলা করতে পারবে-এই তথ্যটি প্রচারে গুরুত্ব দিতে হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন বলেন, ছোটখাটো বিরোধ যাতে থানায় মামলা আকারে না আসে, সে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রচলন বাড়াতে হবে।