নীলফামারীতে মরিচ চাষে কৃষকদের সফলতা

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

মোঃ জুয়েল:

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধী মোঃ জুয়েল, নীলফামারীতে মরিচ চাষে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। মারচিং পদ্ধতিতে চাষ করা মরিচে যেমন ফলন ভালো হয়েছে, তেমনি দামও কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তবে বর্ষার কারণে সরবরাহ কিছুটা কমে গিয়ে বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। কৃষি বিভাগ বলছে, কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন মরিচ বাজারে আসলে দামও স্থিতিশীল হবে।

নীলফামারী সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামের কৃষক আজিজুল ইসলাম। ধান ও আলুর পাশাপাশি এ বছর দুই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে পেয়েছেন আশাতীত ফলন। আধুনিক মারচিং পদ্ধতিতে চাষ করায় গাছ যেমন সবল হয়েছে, তেমনি ফলনও হয়েছে বেশি।এই মরিচক্ষেত ঘিরে কর্মসংস্থান হয়েছে বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষের। জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবছর নীলফামারীতে ৪৪৩ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। ইতোমধ্যে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৯৭০ মেট্রিকটন। তবে টানা বর্ষায় কিছুদিন মাঠে মরিচ তোলা ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে।

তবে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে নতুন করে ১৯’শ হেক্টর জমিতে চাষ হ‌ওয়া মরিচ বাজারে আসতে শুরু করবে। এসব মরিচ জেলার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি যাবে অন্যান্য জেলায়। ভালো আবহাওয়া, সঠিক পরিচর্যা আর বাজারে ন্যায্যমূল্য, এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত হলে নীলফামারীর কৃষকরা মরিচ চাষে আরও বেশি আগ্রহী হবেন বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা কৃষিবিদ মঞ্জুর রহমান,উপ-পরিচালক, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর, নীলফামারী।বর্তমানে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, বর্ষার প্রভাবে মরিচের দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ