মোঃ আসাদুজ্জামান(বরগুনা):
আমতলীতে বিএনপির মিছিলে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনায় দুইটি পৃথক মামলা করা হয়েছে। গত রবিবার ও সোমবার রাতের দুই দিনের দুটি মামলায় আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র মতিয়ার রহমানসহ ৩’শ ৪১ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের আসামী করা হয়েছে।
আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হয়রানী করতেই একই মিথ্যা ঘটনায় দুইটি পৃথক মামলা করা হয়েছে। দ্রæত এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহরের দাবী জানান তিনি। এ মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২২ অক্টোবর আমতলী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল করে। ওই মিছিলে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা হামলা ও ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর রবিবার রাতে মো: রাহাত প্যাদা ৬৫ জন আসামীর নাম উল্লেখ এবং ১৫০ জন অজ্ঞাত রেখে আমতলী থানায় বিস্ফোরক ও বিশেষ আইনে মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলার প্রধান আসামী উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির ও আমতলী পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অমিত রসুল অপুকে পুলিশ ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে।অপর দিকে ৬ই অক্টোবর সোমবার রাতে মো:রাসেল বাদী হয়ে একই ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সি: সহ-সভাপতি ও সদর ইউনিয়ন এর সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধাকে প্রধান আসামী করে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ এবং ৮০ জন অজ্ঞাত রেখে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে সাবেক কাউন্সিলর বশির উদ্দিন হাওলাদার, মাহবুব মালাকার ও বারেক প্যাদাকে গ্রেপ্তার করেছে আমতলী থানা পুলিশ।
সোমবার ও মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে। আদালতের বিচারক মোঃ ইফতি হাসান ইমরান তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, বিএনপির মিছিলে হামলার ঘটনায় থানায় বিস্ফোরক ও বিশেষ আইনে পৃথক দুইটি মামলায় ১১১ জনের নাম উল্লেখ করে ২৩০ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা হয়েছে। ওই দুটি মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। #