ময়মনসিংহ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

সুমন ভট্টাচার্য (ময়মনসিংহ) :
ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপ-পরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়ে দ্রæত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ওই অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা। অভিযোগে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ময়মনসিংহে কর্মরত উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধি বহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। এতে মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ ছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। সে হিসেবে ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতির সময় তার অভিজ্ঞতা ৭ বছরেরও কম ছিল, যা বিধিমালার শর্ত পূরণ করে না।
এছাড়া, ২৩ মে ২০১৮ সালে প্রকাশিত জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এ পদোন্নতি বাগিয়ে নেন। এতে অনেক জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছেন। এ ঘটনায় আবেদনকারী তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত পদোন্নতি বাতিল করা,পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবুও তিনি বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে পদোন্নতি নেওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা উচিত।তবে এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ না করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রæত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ