নিজস্ব প্রতিবেদক
মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলা পরিষদে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মুদ্রাক্ষরিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে । স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪–২৫ ও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও সরঞ্জাম ক্রয়ের নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মোঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মোহাম্মদপুর উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ব্যক্তিস্বার্থে অর্থ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছেন। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে) যন্ত্রপাতি কেনার নামে অর্থ আত্মসাৎ লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ ও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকলেও সেলাই মেশিন, ফুটবল ও স্প্রে মেশিন কেনার প্রকল্পে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়। কিন্তু অভিযোগকারীদের দাবি, বাস্তবে কোনো যন্ত্রপাতি কেনা হয়নি।
তাদের অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগসাজশে কাগজে কলমে প্রকল্প দেখিয়ে পুরো অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
পুকুরের মাছ বিক্রির টাকাও সরকারি খাতে জমা নয় অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে থাকা কয়েকটি সরকারি পুকুরের মাছ বিক্রি করে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আদায় করা হলেও সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ওই পুকুরগুলো থেকে নিয়মিত মাছ বিক্রি হলেও তার কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই। তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল থেকে বেপরোয়া হয়ে অনিয়ম করে চলছে।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তহবিলেও অনিয়মের অভিযোগ অভিযোগকারীরা আরও বলেন, উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষা খাতের কমিটি গঠন ও বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে।
তাদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে বিল অনুমোদনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্থানীয়দের অভিযোগ, মোঃজাহাঙ্গীর আলম তার পদমর্যাদা ব্যবহার করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এক সময় তার পরিবারের উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ না থাকলেও বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় জমি ও সম্পত্তি কেনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রয়োজন। তদন্তের দাবি স্থানীয়দের এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্নীতির অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তাদের মতে, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে দ্রুত তদন্ত শুরু করা জরুরি। জাহাঙ্গীর আলমকে ফোনে না পেয়ে তার উদ্বোধন কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার
অভিযোগের বিষয়ে ফোন করা হলে। তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং সাংবাদিককে হুমকি প্রদান করেন।