ঢাকা পবিস-৪ এর ডিজিএম রফিকুল ইসলামের দুর্নীতির খতিয়ান-৩

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

শাহিন চৌধুরী:

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ওয়ারিং ইন্সপেক্টর আতাউর রহমানের দুর্নীতির খবর ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হচ্ছে আমাদের কণ্ঠে। এরই মধে প্রচারিত হয়েছে আমাদের দারাবাহিকের দুটি পর্ব। যা স্থানীয় সেবা প্রত্যাশীদেও মাঝে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছে। পল্লী বিদ্যুৎ নিয়ে খরব প্রকাশের পর পরই বেড়িয়ে আসতে শুরু করেছে ডিজিএম ও ওয়ারিং ইন্সপেক্টরের থলের বিড়ালের চাঞ্চলকর সব তথ্য। একাধিক বিশ^স্ত সূত্রে জানা যায়, সাবেক এমপি মোঃ তৌহিদুজ্জামানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন ডিজিএম রফিকুল ইসলাম। যে কারনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঊর্ধ্বতন নেতার খুটির জোরে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মস্থলে ক্ষমতা দেখাতেন ডিজিএম। সে ক্ষমতার রেশ ধরেই ঘুষ বানিজ্যের খেলায় মেতেছিলেন রফিক। নিষিদ্ধ আওয়ামী নেতাদের যোগ সাজসে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে করে যেতেন অনৈতিক কর্মকান্ড। বর্মানেও অন্তবর্তী সরকারের সময় কেরানীগঞ্জে আটিবাজার জোনাল অফিসে চলছে তার ঘুষ বাণিজ্যের খেলা।
বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার তিনি কেরানীগঞ্জে আগমন করলে সেখানে রফিকুল ইসলামের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও। জেনারেল ম্যানেজারের আদেশকে পাত্তা নাদিয়ে নির্ধারিত সময় উপস্থিত ছিলেন না। প্রায় অনেক সময় বিলম্ব করে অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত হন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম। জনমনে নানা প্রশ্ন একজন জোনাল অফিসের ডিজিএমের অবৈধ খমতার উৎস কি? সিনিয়রকে পাত্তা দেন না রফিকুল ও তার সহযোগী আতাউর রহমান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইলেকট্রিশিয়ান বলেন, মোটা অংকের বিনিময় কেরানীগঞ্জে বদলি হলে প্রথম দিনেই আমরা আনন্দ উল্লাস করে মানিকগঞ্জ সদরে মিষ্টি বিলিয়েছিলাম। কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, রফিকুল ইসলামের ঘুষ বাণিজ্য আমরা গ্রাম ইলেকট্রিশিয়ান ও এলাকাবাসীারা অতিষ্ঠ ছিলাম। কিছু বললে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে নেতাদের দিয়ে হুমকি ধামকি দিতেন। সাবেক কর্মস্থল মানিকগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা বলে এক কথায় সন্ত্রাসী তান্ডব চালাতেন রফিকুল ইসলাম।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে যানা যায়, মানিকগঞ্জের নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের তাহ করে মানিকগঞ্জ সদর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেছিলেন। আওয়ামী লীগ পতনের পর তরি ঘরি করে মোটা অংকের বিনিময়ে কেরানীগঞ্জ পবিসে বদলি হন রফিক।
দৈনিক কর্মস্থলে প্রতিনিয়ত দেরি করে অফিসে এসে নিজেকে গর্ববোধ মনে করেন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম। একাধিক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বেলা ১১ টার পরে আমি অফিসে আসি। আমি কখন আসবো কখন যাবো কাউকে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নই।
গত ২৮ আগস্ট ১ম পর্ব ও ৬ সেপ্টেম্বর ২য় পর্ব প্রকাশের পর ডিজিএম রফিকুল ইসলাম ও ওয়ারিং ইন্সপেক্টর আতাউর রহমানের কেরানীগঞ্জের একাধিক নেতাদের দিয়ে সুপারিশের পায়তারা করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন, আটি মডেল টাউনের ১৫ নাম্বার রোডের শামিম গংয়ের নামে জি নাইন। যাহার রাজউকের অনুমোদন বিহীন দালানের বিদ্যুৎ সংযোগের কাজটি ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ রফিকুল ইসলাম একান্ত ভাবে কাজটি নিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানাযায় গ্রাহক কিছুদিন আগে একজরেন কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য কাজটি দিয়েছিলেন তখন ডিজিএম ফাইলটিতে থাকা চেয়ারম্যানের ছার পত্রতি সঠিক না বলে বাতিল করেছিলেন। কিন্তু সেই একই কাজ ডিজিএম নিজে কাজটি নিয়েছেন। ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেল ৪ টায় আটি জোনাল অফিসে রফিকুলের কক্ষে গ্রাহক এসে মোটা অংকের টাকা দিলে রফিকুল বলেন ২ দিনের মদ্ধে বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে যাবেন। কিছুক্ষণ পরে ডিজিএম রফিকুল প্রকাশে একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে বলেন যিনি আমার দুর্নীতির খবর প্রকাশ করেছেন আমি তাকে দেখে নিবো । এবং তিনি আরও বলেন( বিআরইবিতে ) আমার নিজস্ব লোক আছে তাকে বলবো কেরানীগঞ্জ পবিস এর জিএম খালেদুর রহমানকে বলতে তিনি যেন আমাকে বিরক্ত না করেন।
উল্লেখিত বিষয়ে জেনারেল ম্যানেজার মোঃ খালেদুর রহমানের জানতে চাইলে,সাংবাদিককে তিনি বলেন দৈনিক আমাদের কণ্ঠে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ওয়ারিং ইন্সপেক্টর আতাউর রহমানের দুর্নীতির খবর ২য় বার আমাদের কণ্ঠে খরব প্রকাশের পর পরই আমি নিজে তদন্ত কমিটিকে বলেছিলাম তারা জমা করার পর (বিআরইবিতে) তার বিরুধে তদন্ত সরূপ চিঠিতে উল্লেখ করে প্রেরণ করেছি। (বিআরইবি) থেকে জবাব আসলেই আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। #

 

 

 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ