মোঃ আসাদুজ্জামান(বরগুনা):
বরগুনা জেলার সংসদীয় ৩টি আসন পূন:বহালের দাবিতে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাব,বরগুনা জেলা ও আমতলী উপজেলায় একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় এ কর্মসূচী পালিত হয়।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপকূলীয় বরগুনা জেলা ৬টি উপজেলা নিয়ে গঠিত, যার আয়তন ১,৮৩১,৩১ বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা ১২,১০,৫৩০ জন।
বরগুনা জেলার ৬টি উপজেলাকে পায়রা ও বুড়িশ্বর নদীতে বিভক্ত করে রেখেছে। পায়রা নদীর পূর্ব পারে আমতলী ও তালতলী উপজেলা, পশ্চিম দিকে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা। বিষখালী নদীর পশ্চিম দিকে পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা। স্বাধীনতার পর থেকে বরগুনা জেলায় ৩টি সংসদীয় আসন ছিল কিন্তু ২০০৮ সালে সেনা শাসিত তত্ত¡াবধায়ক সরকার সরজমিনে পরিদর্শন না করেই ১টি দলকে সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে বরগুনা জেলার ৩টি সংসদীয় আসনকে ভেঙে ২টি সংসদীয় আসনে বিন্যস্ত করেন।
বরগুনা সদর, আমতলী, তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন,পাথরঘাটা বামনা বেতাগী নিয়ে বরগুনা ২ আসন গঠন করা হয়,এতে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়ে পড়ে সর্ব দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চল আমতলী তালতলী উপজেলার ৪লাখ মানুষ, আমতলী তালতলী থেকে বরগুনা যাওয়ার মাঝে পায়রা নদী ও পাথরঘাটা বামনা বেতাগী থেকে বরগুনা যাওয়ার মাঝে বিষখালী নদী প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হাওয়ায় নির্বাচনকালীন সময়ে এই ৬টি উপজেলার ২টি আসনে ভোট গ্রহণে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়। ফলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।