শাহিন চৌধুরী:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-৩ নির্বাচনী আসনে বিএনপির দুটি গ্রুপের অন্ত:দ্ব ক্রমশই প্রকাশ্য রুপ নিচ্ছে। যা স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। একই সাথে বিষয়টি নিয়ে দিন দিন ভোটের হিসেব নিকাশ কষতেও শুরু করেছে স্থানীয় জনগন। ফলে এ নিয়ে বড় ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষের বিষয়টিও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্থানীয় অভিজ্ঞজনরা। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির উল্লেীখত দুই গ্রুপের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে বিগত বেশ কিছুদিন যাবত হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেই চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানাযায়, অন্যান্য দিনের ন্যায় ১৭ অক্টোবর শুক্রবারও নিজ এলাকায় আছরের নামাজ পড়ে গণসংযোগ করতে যান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুব দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবির পল। পাশাপাশি এলাকায় থাকেন থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জিনজিরার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোজাদ্দেদ বাবু। জানাযায়,থানা বিএনপির সভাপতি নিপুন রায়ের নির্দেশে রেজাউল কবির পলের গনসংযোগকে নস্যাত করারর লক্ষে একই এলাকায় মেজাদ্দেদ আলী বাবু একটি ঝটিকা মিছিলের আয়োজন করে। তবে স্থানীয় জনতার স্বতঃস্ফূর্ত জনসমাগমে তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়। এর আগেও স্থানীয় প্রশাসন একাধিক বার নিপুণ প্যানেলের লোকজনকে সাবধান করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন,রেজাউল কবির পল ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা একজন বিএনপির রাজনৈতিক কর্মী। জেল- জুলুম সহ্য করে মৃত্যু মুখ থেকে ফিরে আসা একজন শান্তি প্রিয় নেতা। সব সময় জিনজিরাসহ কেরানীগঞ্জবাসি পলের পক্ষে গণ-সমর্থন দিয়ে সবসময় গণসংযোগ শুরু করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পল বলেন, নিজ এলাকায় গনসংযোগ করতে গিয়ে এমন কিছু ঘটবে তা অত্যন্ত দু:খজনক। তিনি সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে সহিংস রাজনীতির পথ পরিহারের আহবান জানান। পল বলেন, দল যদি তাকে নির্বাচন করতে অনুমতি দেয় তাহলে তিনি চাঁদাবাজি, মাদক কারবারি এবং সন্ত্রাস মুক্ত এলাকা উপহার দিবেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের মতো আপোষ হীন রাজনীতিতে বিশ্বাসী। ভোটের মাঠে স্বচ্ছ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিশ্বাস করেন তিনি। তিনি সকলের ভালবাসা এবং দোয়া কামনা করেন।
- দৈনিক আমাদের কণ্ঠ: প্রকাশিত সংবাদ, প্রশাসনিক সংবাদ, রাজনীতি সংবাদ, শীর্ষ সংবাদ