বাউফলে এক দফাদারের বিরুদ্ধে নানা জাল-জালিয়াতির অভিযোগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে বয়স বাড়ানো, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ একাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষর জাল এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনে অনিয়ম এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক দফাদারের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়মের মাধ্যমে চাকরি চালিয়ে গেলেও অবশেষে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। এসব গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের দফাদার মো. আবুল হোসেন মৃধার নামে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আবুল হোসেন কৌশলে নিজের বয়স বাড়াতে জালিয়াতির আশ্রয় নেন। সরাসরি জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করলে ধরা পড়ার আশঙ্কায় তিনি প্রথমে একটি স্থানীয় স্কুলের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া সনদ তৈরি করেন। তবে এই প্রক্রিয়ায় তিনি অনিয়মের স্পষ্ট চিহ্ন রেখে যান। জানা যায়, স্কুলের রেজিস্ট্রি খাতায় আবুল হোসেন নামে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব নেই। তাছাড়া নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে তিনি কখনোই ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন না। অভিযোগে আরও বলা হয়, উপজেলা অফিসে জমা দেওয়া একটি সার্টিফিকেটে তার জন্মতারিখ ১ ডিসেম্বর ১৯৬৮ উল্লেখ থাকলেও চাকরিতে যোগদানের সময় দেওয়া ৫ম শ্রেণির সনদ অনুযায়ী তার জন্মতারিখ ১ ডিসেম্বর ১৯৬২। অর্থাৎ তিনি একাধিকবার নিজের জন্মসাল পরিবর্তন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্তের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশে একটি অভিযোগপত্র পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হচ্ছে। এদিকে, নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৮২ সালের কয়েকজন সাবেক ছাত্র জানিয়েছেন, আবুল হোসেন তাদের সহপাঠী ছিলেন না। বরং সে সময় তিনি পটুয়াখালীতে হোটেলে কাজ করতেন বলে তারা উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ