জয়পুর হাট প্রতিনিধি :
যিনি এখন থেকে একবছর আগেও এলাকায় পরিচিত ছিলেন মাদক ব্যবসায়ী। স্থানীয় থানায় অভিযোগও ছিলো বিস্তর, পতিত আওয়ামীদের সাথে ছিলো দহরম-মহরম। এখন অবশ্য সময় পাল্টে গেছে এখন তিনি একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের ইউনিয়ন সেক্রেটারী।
দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের সাথে কিছু লোকের ক্ষমতা, দাপট, জৌলস আর দাম্ভিকতা যে কত পরিমান বাড়তে পারে তা দিনের আলোর মত পরিষ্কার করছেন জয়পুরহাট সদর থানাধীন ৯ নং চরবরকত ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় জামায়তের সেক্রেটারী মুস্তাকীন। অভিযোগে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে পূর্ণ রাষ্টীয় ক্ষমতা চালিয়ে চরজগদীশপুর গ্রামের সাধারণ মানুষকে আপাতত দৃষ্টিতে জিম্মি করে রেখেছেন। সূএ মতে, চরবরকত ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারী হওয়ার পর থেকে মুস্তকীন প্রথমে কয়েক গ্রামের চলাচলের রাস্তা দখলে নিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজ বাড়ীর সীমানা প্রাচীর।
গ্রামবাসী রাস্তা নিয়ে প্রতিবাদ করলেই মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে মানুষের ন্যায্য দাবীকে দিয়েছেন স্থায়ী কবর। অভিযোগ উঠেছে, স¤প্রতি একটি হাঁসকে কেন্দ্রকরে জামাত সেক্রেটারী মুসতাকীন তার পরিবারের সদস্য-সদস্যা ও দলবলসহ দেশীয় অস্ত্র রামদা, হাসু, টেঁটা, কিরিচ দিয়ে পার্শবর্তী বাড়ীর জনৈক জামাল উদ্দীনকে আঘাত করলেও এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে সেই যাএায় প্রাণে বেঁচে যান।সূএ মতে, রাজনৈতিক হাওয়া বুঝে মুস্তাকীন অজঁপাড়া গায়ে অঘোষিত রাম রাজত্ব কায়েমের লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি জানান, জয়পুরহাট জেলার এ এলাকাটি অতি সাধারণ লোকের বসবাস এবং এখানে আগে থেকেই জামাতে সমর্থন অন্যসব দলের তুলনায় অনেক বেশী।
তারঁ মতে জামাতের সেক্রেটারী পদ পাওয়ার পর থেকে মুস্তাকীনের চাল-চলন, মানুষের সাথে দূর্ব্যবহার, কথায় কথায় ধাড়ালো অস্ত্র প্রদর্শন, মামলা হামলার হুমকি এলাকার জনগণ ভয়ে কিছু না বললেও সময়মত এর জবাব ব্যালেটের ফল প্রকাশে প্রমান হবে। চরজগদীশ গ্রামের প্রবীণ একব্যক্তি বলেন, এখানে অধিকাংশ লোক জামাতের প্রতি আনুগত্য অথচ জামাত ৩ নং ওয়ার্ডে জামাতের সেক্রেটারী পদে আর কাউকে উপযুক্ত মনে করলো না, সন্ত্রাসী মুস্তাকীনকেই কেন যোগ্য ভাবলো, তা হলে অন্যদের দোষ কী ছিলো প্রবীণের প্রশ্ন। সন্ত্রাসী মুস্তাকীনের এহনো কর্মকান্ডে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।