দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হত্যা, ময়মনসিংহে রহস্য উদ্ঘাটন

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

সুমন ভট্টাচার্য(ময়মনসিংহ):

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সংঘটিত এক হত্যাকান্ডের ক্লু-লেস লাশের রহস্য উদ্ঘাটনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। হত্যার ঘটনায় জড়িত দুই আসামি গ্রেফতার ও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২২ অক্টোবর বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা (৯৯৯) কলে খবর আসে- ময়মনসিংহের বিদ্যাগঞ্জ এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদে একটি অজ্ঞাত লাশ ভেসে আছে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই জসিম উদ্দিন ও এসআই মাসুদ জামালী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় না মেলায় অজ্ঞাত লাশ হিসেবে ময়নাতদন্তসহ সকল প্রাথমিক পুলিশি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। পরে এসআই জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা (নং–১০৫(১০)২৫) দায়ের করেন। পরবর্তীতে দেশব্যাপী নিখোঁজ জিডি যাচাইয়ের জন্য বার্তা প্রেরণ করা হলে, ডিএমপি বংশাল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরির সন্ধান মেলে। সেখান থেকেই নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয়— তিনি হলেন মোঃ আবু সাঈদ (৬০)।
ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহরার্দ্দীর নির্দেশনায়, কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শিবিরুল ইসলামের তত্ত¡াবধানে ইনস্পেক্টর সজিব কুমার বাড়ৈ এর নেতৃত্বে এসআই মাহবুব আলম ফকির, এসআই মাসুদ জামালী, এএসআই হুমায়ুন কবিরসহ একটি টিম ঢাকা ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে হত্যাকান্ডে জড়িত দুই আসামি- আবু রায়হান ও ইয়াসিনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত আলামত ইট, দা, রশি ও বালির বস্তা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহবুব আলম ফকির জানান, নিহত আবু সাঈদকে পরিকল্পিতভাবে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
এদিকে, হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে সফল ভূমিকার জন্য ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের প্রশংসা করেছেন নিহতের স্বজনরা। তারা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি দাবি করেছেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিস্তারিত জানতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করুন
Advertisement

দৈনিক আমাদের কণ্ঠ